১১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শীঘ্রই ৫০ শতাংশ নন-ফসিল বিদ্যুৎ উৎপাদনের বার্তা মোদীর

জলবায়ু পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত “সবুজ বৃদ্ধি, শক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত প্রচেষ্টা করে তার জলবায়ু সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতি পুরণে এগিয়ে চলছে।” শনিবার এমনটাই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জি২০ শক্তি মন্ত্রীদের বৈঠকে ভাষণ দিচ্ছিলেন। গোয়াতে চলছে জি২০ এর শক্তি মন্ত্রীদের বৈঠক। সেখানে অ-জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে শক্তি তৈরি করে তা ব্যবহার করার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ শক্তির ৫০ শতাংশ যাতে এজাতীয় শক্তি ব্যবহার করা যায় তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শক্তি নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক গ্রিড ও আন্তঃসংযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভারত সবুজ বৃদ্ধি ও শক্তির পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত কাজ করছে। ভারত হল বিশ্বের সবথেকে জনবহুল দেশ। ভারত হল দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ। তবুও এই দেশ জলবায়ু নিয়ে প্রতিশ্রুতি পুরণে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আমরা আমাদের নন ফসিল ইন্সটলড ইলেক্টিটিসি ক্যাপাসিটি টার্গেট ৯ বছর আগে অর্জন করেছি। আমরা আরও বেশি টার্গেট স্থির করেছি আগামী দিনের জন্য। আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ অ-ফসিল ইলেস্ট্রিটিটি অর্জনের পরিকল্পনা করেছে। সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের ক্ষেত্রেও ভারত বিশ্বের প্রথমসারির দেশগুলির মধ্যে রয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন বিশ্বের উন্নত, টেকসই, সাশ্রয়ী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিচ্ছন্ন শক্তির পরিবর্তনের জন্য এই জি২০ গ্রুপের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।

প্রধানমন্ত্রীর কথায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই সব দেশেরই এগিয়ে আসার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বিশ্বের বাকি দেশগুলির কাছে ভবিষ্যতের জন্য জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

মোদী বলেছেন “আমাদের অবশ্যই প্রযুক্তিগত ঘাটতি পুরণের উপায় খুঁজে বার করতে হবে। শক্তি সুরক্ষার প্রচার করতে হবে। সরবরাহ টেইনে বৈচিত্র্য আনতে কাজ করতে হবে। “ তিনি বলেন ট্রান্সন্যাশনাল গ্রিড ও আন্তঃসংযোগ শক্তি নিরাপত্তা বাড়াতে পারে। আর এই বিষয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন সব দেশকেই জয়বায়ু পরিবর্তন রুখতে লক্ষ্য পুরণ করতে হবে। সবুজ বিনিয়োগকে উদ্দীপিত করতে ও লক্ষ লক্ষ সবুজ কর্মসংস্থান তৈরির ব্যবস্থা করতে হবে। জি২০ প্রতিনিধিদের সম্বোধন করে মোদী বলেছিলেন যে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের ভবিষ্যতে টেকসই সম্পর্কে কোনও আলোচনা শক্তি ছাড়া সম্পূর্ণ হতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দেন দেশের মধ্যে বৈদ্যুতিক যানবাহন বাজার বাড়াতে উদ্যোগী ভারত। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ মিলিয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বছর থেকে ২০ শতাংশ ইথাইনাল মিশ্রিত পেট্রোলোর ব্যবহার শুরু করেছে ভফারত। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে গোটা দেশের এজাতীয় পেট্রোলের ব্যবহার কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

শীঘ্রই ৫০ শতাংশ নন-ফসিল বিদ্যুৎ উৎপাদনের বার্তা মোদীর

প্রকাশ: ০২:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুলাই ২০২৩

জলবায়ু পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত “সবুজ বৃদ্ধি, শক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত প্রচেষ্টা করে তার জলবায়ু সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতি পুরণে এগিয়ে চলছে।” শনিবার এমনটাই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জি২০ শক্তি মন্ত্রীদের বৈঠকে ভাষণ দিচ্ছিলেন। গোয়াতে চলছে জি২০ এর শক্তি মন্ত্রীদের বৈঠক। সেখানে অ-জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে শক্তি তৈরি করে তা ব্যবহার করার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ শক্তির ৫০ শতাংশ যাতে এজাতীয় শক্তি ব্যবহার করা যায় তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শক্তি নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক গ্রিড ও আন্তঃসংযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভারত সবুজ বৃদ্ধি ও শক্তির পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দুর্দান্ত কাজ করছে। ভারত হল বিশ্বের সবথেকে জনবহুল দেশ। ভারত হল দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ। তবুও এই দেশ জলবায়ু নিয়ে প্রতিশ্রুতি পুরণে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আমরা আমাদের নন ফসিল ইন্সটলড ইলেক্টিটিসি ক্যাপাসিটি টার্গেট ৯ বছর আগে অর্জন করেছি। আমরা আরও বেশি টার্গেট স্থির করেছি আগামী দিনের জন্য। আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ অ-ফসিল ইলেস্ট্রিটিটি অর্জনের পরিকল্পনা করেছে। সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের ক্ষেত্রেও ভারত বিশ্বের প্রথমসারির দেশগুলির মধ্যে রয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন বিশ্বের উন্নত, টেকসই, সাশ্রয়ী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিচ্ছন্ন শক্তির পরিবর্তনের জন্য এই জি২০ গ্রুপের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।

প্রধানমন্ত্রীর কথায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই সব দেশেরই এগিয়ে আসার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বিশ্বের বাকি দেশগুলির কাছে ভবিষ্যতের জন্য জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

মোদী বলেছেন “আমাদের অবশ্যই প্রযুক্তিগত ঘাটতি পুরণের উপায় খুঁজে বার করতে হবে। শক্তি সুরক্ষার প্রচার করতে হবে। সরবরাহ টেইনে বৈচিত্র্য আনতে কাজ করতে হবে। “ তিনি বলেন ট্রান্সন্যাশনাল গ্রিড ও আন্তঃসংযোগ শক্তি নিরাপত্তা বাড়াতে পারে। আর এই বিষয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন সব দেশকেই জয়বায়ু পরিবর্তন রুখতে লক্ষ্য পুরণ করতে হবে। সবুজ বিনিয়োগকে উদ্দীপিত করতে ও লক্ষ লক্ষ সবুজ কর্মসংস্থান তৈরির ব্যবস্থা করতে হবে। জি২০ প্রতিনিধিদের সম্বোধন করে মোদী বলেছিলেন যে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের ভবিষ্যতে টেকসই সম্পর্কে কোনও আলোচনা শক্তি ছাড়া সম্পূর্ণ হতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দেন দেশের মধ্যে বৈদ্যুতিক যানবাহন বাজার বাড়াতে উদ্যোগী ভারত। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ মিলিয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বছর থেকে ২০ শতাংশ ইথাইনাল মিশ্রিত পেট্রোলোর ব্যবহার শুরু করেছে ভফারত। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে গোটা দেশের এজাতীয় পেট্রোলের ব্যবহার কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক