০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভারত-অস্ট্রেলিয়া ব্যাপক বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্নের আশা মোদীর

সপ্তাহ দুয়েক পরেই ভারতে আসছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তার আগে ২১ মার্চ, সোমবার, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক চুক্তির সৌজন্যে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। জল ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি এবং খনিজ সম্পদ ও সুরক্ষা-সহ নানা ক্ষেত্রে বর্তমানে ভারত-অস্ট্রেলিয়া পরস্পরের অগ্রগতির অংশীদার। সেই অগ্রগতি বজায় রাখতে দুই দেশই বদ্ধপরিকর। সেসব বিষয়ই সোমবার উঠে এল মোদী-মরিসনের বৈঠকে।

এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আমাদের সহযোগিতা মুক্ত, সর্বাঙ্গীণ ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিচ্ছবি। আর্থিক বন্ধনের জন্য ব্যাপক আর্থিক সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে প্রাথমিকভাবে কথা হয়েছে। আমাদের শেষ ভার্চুয়াল বৈঠকে আমরা আমাদের সম্পর্ককে ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বের রূপ দিয়েছিলাম।”

বৈঠক চলাকালে তিনি আরও বলেন, “পুনরায় দুই দেশের বার্ষিক বৈঠকের প্রস্তুতির ব্যবস্থা করতে পেরে আমি খুশি। এটা আমাদের সম্পর্কের নিয়মিত পর্যালোচনা বৈঠকের পথ সুগম করবে। গত কয়েক বছরে আমাদের সম্পর্কের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা, শিক্ষা এবং আবিষ্কার, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে আমরা খুব ঘনিষ্ঠভাবেই গত কয়েক বছর ধরে পরস্পরের সহযোগিতা করছি।”

এদিকে, মোদী-মরিসন বৈঠক শুরুর আগেই অস্ট্রেলিয়া থেকে বেশ কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী ফিরিয়ে এনেছে ভারত। তার মধ্যে ভগবান শিব ও তাঁর অনুগামীদের মূর্তি রয়েছে, ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি রয়েছে, আবার জৈন সম্প্রদায়ের মূর্তিও রয়েছে। বৈঠকে এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

তিনি বলেন, “ভারতকে তার প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রীগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি যে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো পাঠিয়েছেন, সেগুলো কয়েকশো বছরের পুরনো। রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাত, হিমাচল প্রদেশ থেকে ওই সব প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন চুরি হয়েছিল। সেসব ফিরিয়ে দেওয়ায় ভারতবাসীর পক্ষ থেকে আমি আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।”

বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছে ইউক্রেন প্রসঙ্গ। ইউক্রেনের ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে উভয় নেতাই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই পরিস্থিতির আঁচ যেন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ওপর না-পড়ে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ইউক্রেনে ধারাবাহিক মৃত্যু মিছিলের জন্য রাশিয়া দায়বদ্ধ। বৈঠকে এমনই অভিযোগ করেন মরিসন।

সরকারি সূত্রের খবর, আজই অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা বিভাগের সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়াত সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াতের নামেই এই বিশেষ উদ্যোগ শুরু করা হয়েছে।

ভারত-অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের এই সম্মেলনে নতুন কোনও চুক্তি স্বাক্ষর না হলেও, অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বিস্তর। চলতি মাসের শেষভাগেই এ নিয়ে চু্ক্তি স্বাক্ষর হতে পারে দুই দেশের মধ্যে। জানা গিয়েছে, ১৫০০ কোটি টাকার যে বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ১৯৩ কোটি উন্নত প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উত্তোলনের খাতে বিনিয়োগ করা হবে।

এছাড়া, মিলিতভাবে মহাকাশ গবেষণার জন্য ১৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় বাণিজ্যের জন্য ১৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ৯৭ কোটি টাকা খরচ করা হবে বাণিজ্য, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী খাতে। দুই দেশের তরফে মিলিতভাবে একাধিক বৃত্তির ঘোষণাও করা হবে, যেখানে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সুযোগ দেওয়া হবে। এরজন্য দুই দেশের মিলিত উদ্যোগে একটি টাস্ক ফোর্সও তৈরি করা হবে, যা পড়ুয়াদের শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করবে এবং সেই অনুযায়ী বিদেশে পড়ার সুযোগও দেওয়া হবে।

এর আগে ২০২০ সালের ৪ জুন দুই দেশ প্রথমবার ভার্চুয়াল সম্মেলনে যোগদান করেছিল। সেই সময়ও ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার কৌশলগত ও কূটনৈতিক স্তরে সম্পর্ক মজবুত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গণতন্ত্র ও বহুত্ববাদের উপরে ভিত্তি করেই ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। বর্তমানে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

২০১৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগের আর্থিক পরিমাণ ২১০০ কোটি ডলারেরও বেশি। ২০০৩ সাল থেকেই এই সম্পর্ক মজবুত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের বার্ষিক রফতানির পরিমাণ ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রতি বছর ভারত ১৩০০ কোটি ডলারেও বেশি মূল্যের বিভিন্ন পণ্য আমদানি করা হয়। ভারতে সোনা আমদানির ক্ষেত্রে সবথেকে বড় বাজার অস্ট্রেলিয়াই। এছাড়া কয়লা ও তামাও আমদানি-রফতানি করা হয়।

অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারত যে সামগ্রীগুলো আমদানি করে, তার মধ্যে অন্যতম হল কয়লা, সোনা, তামা, বিভিন্ন সবজি। অন্যদিকে ভারত থেকে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম, মুক্তো, বিভিন্ন দামি পাথর, গয়না ও ওষুধ রফতানি করা হয়। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

 

ট্যাগ:

ভারত-অস্ট্রেলিয়া ব্যাপক বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্নের আশা মোদীর

প্রকাশ: ০৩:৩৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২

সপ্তাহ দুয়েক পরেই ভারতে আসছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তার আগে ২১ মার্চ, সোমবার, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক চুক্তির সৌজন্যে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। জল ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি এবং খনিজ সম্পদ ও সুরক্ষা-সহ নানা ক্ষেত্রে বর্তমানে ভারত-অস্ট্রেলিয়া পরস্পরের অগ্রগতির অংশীদার। সেই অগ্রগতি বজায় রাখতে দুই দেশই বদ্ধপরিকর। সেসব বিষয়ই সোমবার উঠে এল মোদী-মরিসনের বৈঠকে।

এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আমাদের সহযোগিতা মুক্ত, সর্বাঙ্গীণ ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিচ্ছবি। আর্থিক বন্ধনের জন্য ব্যাপক আর্থিক সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে প্রাথমিকভাবে কথা হয়েছে। আমাদের শেষ ভার্চুয়াল বৈঠকে আমরা আমাদের সম্পর্ককে ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বের রূপ দিয়েছিলাম।”

বৈঠক চলাকালে তিনি আরও বলেন, “পুনরায় দুই দেশের বার্ষিক বৈঠকের প্রস্তুতির ব্যবস্থা করতে পেরে আমি খুশি। এটা আমাদের সম্পর্কের নিয়মিত পর্যালোচনা বৈঠকের পথ সুগম করবে। গত কয়েক বছরে আমাদের সম্পর্কের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা, শিক্ষা এবং আবিষ্কার, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে আমরা খুব ঘনিষ্ঠভাবেই গত কয়েক বছর ধরে পরস্পরের সহযোগিতা করছি।”

এদিকে, মোদী-মরিসন বৈঠক শুরুর আগেই অস্ট্রেলিয়া থেকে বেশ কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী ফিরিয়ে এনেছে ভারত। তার মধ্যে ভগবান শিব ও তাঁর অনুগামীদের মূর্তি রয়েছে, ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি রয়েছে, আবার জৈন সম্প্রদায়ের মূর্তিও রয়েছে। বৈঠকে এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

তিনি বলেন, “ভারতকে তার প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রীগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করায় আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি যে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো পাঠিয়েছেন, সেগুলো কয়েকশো বছরের পুরনো। রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাত, হিমাচল প্রদেশ থেকে ওই সব প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন চুরি হয়েছিল। সেসব ফিরিয়ে দেওয়ায় ভারতবাসীর পক্ষ থেকে আমি আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।”

বৈঠকে স্বাভাবিকভাবেই উঠে এসেছে ইউক্রেন প্রসঙ্গ। ইউক্রেনের ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে উভয় নেতাই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই পরিস্থিতির আঁচ যেন ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ওপর না-পড়ে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ইউক্রেনে ধারাবাহিক মৃত্যু মিছিলের জন্য রাশিয়া দায়বদ্ধ। বৈঠকে এমনই অভিযোগ করেন মরিসন।

সরকারি সূত্রের খবর, আজই অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা বিভাগের সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়াত সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াতের নামেই এই বিশেষ উদ্যোগ শুরু করা হয়েছে।

ভারত-অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের এই সম্মেলনে নতুন কোনও চুক্তি স্বাক্ষর না হলেও, অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বিস্তর। চলতি মাসের শেষভাগেই এ নিয়ে চু্ক্তি স্বাক্ষর হতে পারে দুই দেশের মধ্যে। জানা গিয়েছে, ১৫০০ কোটি টাকার যে বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ১৯৩ কোটি উন্নত প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উত্তোলনের খাতে বিনিয়োগ করা হবে।

এছাড়া, মিলিতভাবে মহাকাশ গবেষণার জন্য ১৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় বাণিজ্যের জন্য ১৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ৯৭ কোটি টাকা খরচ করা হবে বাণিজ্য, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী খাতে। দুই দেশের তরফে মিলিতভাবে একাধিক বৃত্তির ঘোষণাও করা হবে, যেখানে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সুযোগ দেওয়া হবে। এরজন্য দুই দেশের মিলিত উদ্যোগে একটি টাস্ক ফোর্সও তৈরি করা হবে, যা পড়ুয়াদের শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করবে এবং সেই অনুযায়ী বিদেশে পড়ার সুযোগও দেওয়া হবে।

এর আগে ২০২০ সালের ৪ জুন দুই দেশ প্রথমবার ভার্চুয়াল সম্মেলনে যোগদান করেছিল। সেই সময়ও ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার কৌশলগত ও কূটনৈতিক স্তরে সম্পর্ক মজবুত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গণতন্ত্র ও বহুত্ববাদের উপরে ভিত্তি করেই ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। বর্তমানে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামরিক চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

২০১৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগের আর্থিক পরিমাণ ২১০০ কোটি ডলারেরও বেশি। ২০০৩ সাল থেকেই এই সম্পর্ক মজবুত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের বার্ষিক রফতানির পরিমাণ ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রতি বছর ভারত ১৩০০ কোটি ডলারেও বেশি মূল্যের বিভিন্ন পণ্য আমদানি করা হয়। ভারতে সোনা আমদানির ক্ষেত্রে সবথেকে বড় বাজার অস্ট্রেলিয়াই। এছাড়া কয়লা ও তামাও আমদানি-রফতানি করা হয়।

অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারত যে সামগ্রীগুলো আমদানি করে, তার মধ্যে অন্যতম হল কয়লা, সোনা, তামা, বিভিন্ন সবজি। অন্যদিকে ভারত থেকে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম, মুক্তো, বিভিন্ন দামি পাথর, গয়না ও ওষুধ রফতানি করা হয়। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক