০৯:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাশিয়া-ইউক্রেনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ম্যাক্রোঁ-মোদীর

রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয় রাষ্ট্রের প্রধানদের সঙ্গেই বর্তমানে বিশ্বের যে কজন নেতা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন, তাঁদের অন্যতম ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ফরাসি রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। গত ১৬ মার্চ, বুধবার, ‘উদ্ভাবন, স্থায়িত্ব এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা’ বিষয়ক ভারত-ফ্রান্স ট্র্যাক ১.৫ সংলাপে ভাষণ দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শ্রী হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।

অভিজ্ঞ এই কূটনীতিক বলেন, “বিশ্বব্যাপী কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি জটিল বলে মনে হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা স্থাপত্য, যা বিগত কয়েক দশক ধরে ইউরোপে ব্যাপকভাবে শান্তি রক্ষা করেছিল, বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।”

শ্রিংলা বলেন, “এই দৃশ্যকল্পটি অবশ্যই বিশ্বকে স্থিতিশীল করার জন্য পরিপক্ক অংশীদারিত্বের আহ্বান জানায়। অতএব, এটি উপযুক্ত যে ভারত এবং ফ্রান্স, যারা সর্বদা কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখতে চেয়েছে এবং সফল হয়েছে, তারা শান্তি, সংলাপ এবং কূটনীতির আহ্বানের অগ্রভাগে রয়েছে।”

উল্লেখ্য, রুশ-ইউক্রেন সঙ্কটে সংঘাতের পথ পরিহার করে শান্তি, সংলাপ এবং কূটনীতির আহ্বানে এগিয়ে রয়েছে ভারত ও ফ্রান্স। উভয় রাষ্ট্রই দীর্ঘদিন ধরে এঁকে অন্যের মিত্র হিসেবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ধরে রেখেছে। বহুপাক্ষিক ফোরামেও এঁকে অন্যকে সমর্থন করে দেশ দুটো।

শ্রিংলা বলেন, “ইন্দো-প্যাসিফিকের আবাসিক শক্তি হিসাবে এই অঞ্চলে চ্যালেঞ্জ, সুযোগ এবং অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে ভারত ও ফ্রান্সের একটি ঐতিহাসিক বোঝাপড়া রয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ঐতিহ্যগত ক্ষেত্র যেমন প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মহাকাশ এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সহযোগিতার আহবান প্রাধান্য পেয়েছে।”

ভারতের অন্যতম শীর্ষ এই কূটনীতিক বলেন, “একবিংশ শতাব্দীর সমস্যার জন্য অবশ্যই একবিংশ শতাব্দীর সমাধান প্রয়োজন। উভয় দেশই এটা খুব ভালোভাবে বোঝে। তাই ডিজিটাল, সাইবার নিরাপত্তা, সবুজ শক্তি এবং টেকসই উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সম্পর্ক বাড়াচ্ছে ভারত ও ফ্রান্স।”

ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ক ক্রমশ গভীরতর হচ্ছে জানিয়ে শ্রিংলা বলেন, “গত দুই দশকে ভারত বিশ্বস্তরে অনেক সম্পর্ককে নতুন রূপ দিয়েছে। তবে, ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক একাধিক প্রজন্মের সেতুবন্ধন। বিশ্বব্যাপী নানা অশান্তির মধ্যেও ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক একটি স্থির এবং স্পষ্ট পথে এগিয়ে চলেছে। এটি এমন একটি সম্পর্ক যার আকস্মিক পরিবর্তন হবেনা। প্রকৃতপক্ষে, এই সম্পর্ক ক্রমাগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে এবং এর জন্য আমরা আরও শক্তিশালী হয়েছি।”

এর কিছুদিন পূর্বেই গত মাসে বৈশ্বিক বিস্তৃতি ও স্বাধীন মানসিকতায় ফ্রান্সকে বিশ্বের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী বহুমুখীতা ও ভারসাম্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবেও দেশটির নাম নেন তিনি। প্যারিসে ফ্রেঞ্চ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস আয়োজিত ‘ভারত ফ্রান্সকে কীভাবে মূল্যায়ন করে?” -শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেছিলেন তিনি।

সেদিন জয়শঙ্কর বলেন, “সমস্ত দেশই এখন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া, কৌশল, সম্পর্ক, এমনকি কৌশলগত ভৌগলিক অবস্থান নিয়ে পুনঃমূল্যায়ন করছে। পরিবেশের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে আমরা প্রতিদিন ঝাঁপিয়ে পড়ি। প্রায়শই, দীর্ঘস্থায়ী অনুমানগুলো পুনর্বিবেচনা করতে হয়। ফ্রান্স বিশ্বের অন্যতম বড় শক্তি যা সবসময়ই ভারতের উদ্বেগ এবং অগ্রাধিকারের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল ও প্রতিক্রিয়াশীল।”

এসময়, বর্তমান ফ্রান্স-ভারতের সম্পর্ককে বিগত ৭৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে আখ্যায়িত করেন জয়শঙ্কর। এই শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পেছনে উভয় রাষ্ট্রের গণতন্ত্র এবং সর্বজনীন মানবিক মূল্যবোধে অগাধ বিশ্বাস মূলভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ভারত যখন প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় এবং পরবর্তীকালে পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ হয়ে উঠে, তখন ভারতকে সমর্থন দানকারী রাষ্ট্র হিসেবে  অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখে ফ্রান্স। ১৯৫০ সালে ভারত সর্বপ্রথম ফ্রান্সের কাছ থেকেই যুদ্ধবিমান কিনেছিলো।

এরপর থেকে এখনও অবধি ফরাসী বিমান ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ভারতের সামরিক বাহিনীগুলোর অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯৯৮ সালে পারমাণবিক পরীক্ষার পর ফ্রান্সই প্রথম পারমাণবিক রাষ্ট্র, যারা আমাদের সমর্থনে ও সহায়তায় এগিয়ে আসে। তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীও ফ্রান্সকে পরম মিত্র হিসেবে জ্ঞান করতেন।

একইভাবে, ২০০৮ সালে বেসামরিক পারমাণবিক শক্তিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পুনরায় প্রাপ্তির জন্য ভারতের আবেদনকে পারমাণবিক সরবরাহকারী গ্রুপ থেকে ছাড়পত্র পাইয়ে দিতে ভরপুর সাহায্য করেছিলো ফ্রান্স।

উল্লেখ্য, মহাকাশ গবেষণা, পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি সহ বহুমুখী স্তরে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে। উভয় রাষ্ট্র এঁকে অন্যকে বিভিন্ন বহুপাক্ষিক ফোরামে আকণ্ঠ সমর্থন দিয়ে থাকে। তাছাড়া, শীর্ষ পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগের ফলে দিনকে দিন আরও উন্নত হচ্ছে দু দেশের সম্পর্ক। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

রাশিয়া-ইউক্রেনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ম্যাক্রোঁ-মোদীর

প্রকাশ: ০৩:১৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২

রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয় রাষ্ট্রের প্রধানদের সঙ্গেই বর্তমানে বিশ্বের যে কজন নেতা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন, তাঁদের অন্যতম ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ফরাসি রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। গত ১৬ মার্চ, বুধবার, ‘উদ্ভাবন, স্থায়িত্ব এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা’ বিষয়ক ভারত-ফ্রান্স ট্র্যাক ১.৫ সংলাপে ভাষণ দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শ্রী হর্ষবর্ধন শ্রিংলা।

অভিজ্ঞ এই কূটনীতিক বলেন, “বিশ্বব্যাপী কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি জটিল বলে মনে হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা স্থাপত্য, যা বিগত কয়েক দশক ধরে ইউরোপে ব্যাপকভাবে শান্তি রক্ষা করেছিল, বর্তমানে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে।”

শ্রিংলা বলেন, “এই দৃশ্যকল্পটি অবশ্যই বিশ্বকে স্থিতিশীল করার জন্য পরিপক্ক অংশীদারিত্বের আহ্বান জানায়। অতএব, এটি উপযুক্ত যে ভারত এবং ফ্রান্স, যারা সর্বদা কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখতে চেয়েছে এবং সফল হয়েছে, তারা শান্তি, সংলাপ এবং কূটনীতির আহ্বানের অগ্রভাগে রয়েছে।”

উল্লেখ্য, রুশ-ইউক্রেন সঙ্কটে সংঘাতের পথ পরিহার করে শান্তি, সংলাপ এবং কূটনীতির আহ্বানে এগিয়ে রয়েছে ভারত ও ফ্রান্স। উভয় রাষ্ট্রই দীর্ঘদিন ধরে এঁকে অন্যের মিত্র হিসেবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ধরে রেখেছে। বহুপাক্ষিক ফোরামেও এঁকে অন্যকে সমর্থন করে দেশ দুটো।

শ্রিংলা বলেন, “ইন্দো-প্যাসিফিকের আবাসিক শক্তি হিসাবে এই অঞ্চলে চ্যালেঞ্জ, সুযোগ এবং অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে ভারত ও ফ্রান্সের একটি ঐতিহাসিক বোঝাপড়া রয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ঐতিহ্যগত ক্ষেত্র যেমন প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মহাকাশ এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সহযোগিতার আহবান প্রাধান্য পেয়েছে।”

ভারতের অন্যতম শীর্ষ এই কূটনীতিক বলেন, “একবিংশ শতাব্দীর সমস্যার জন্য অবশ্যই একবিংশ শতাব্দীর সমাধান প্রয়োজন। উভয় দেশই এটা খুব ভালোভাবে বোঝে। তাই ডিজিটাল, সাইবার নিরাপত্তা, সবুজ শক্তি এবং টেকসই উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সম্পর্ক বাড়াচ্ছে ভারত ও ফ্রান্স।”

ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ক ক্রমশ গভীরতর হচ্ছে জানিয়ে শ্রিংলা বলেন, “গত দুই দশকে ভারত বিশ্বস্তরে অনেক সম্পর্ককে নতুন রূপ দিয়েছে। তবে, ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক একাধিক প্রজন্মের সেতুবন্ধন। বিশ্বব্যাপী নানা অশান্তির মধ্যেও ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক একটি স্থির এবং স্পষ্ট পথে এগিয়ে চলেছে। এটি এমন একটি সম্পর্ক যার আকস্মিক পরিবর্তন হবেনা। প্রকৃতপক্ষে, এই সম্পর্ক ক্রমাগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে এবং এর জন্য আমরা আরও শক্তিশালী হয়েছি।”

এর কিছুদিন পূর্বেই গত মাসে বৈশ্বিক বিস্তৃতি ও স্বাধীন মানসিকতায় ফ্রান্সকে বিশ্বের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী বহুমুখীতা ও ভারসাম্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবেও দেশটির নাম নেন তিনি। প্যারিসে ফ্রেঞ্চ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস আয়োজিত ‘ভারত ফ্রান্সকে কীভাবে মূল্যায়ন করে?” -শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেছিলেন তিনি।

সেদিন জয়শঙ্কর বলেন, “সমস্ত দেশই এখন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া, কৌশল, সম্পর্ক, এমনকি কৌশলগত ভৌগলিক অবস্থান নিয়ে পুনঃমূল্যায়ন করছে। পরিবেশের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে আমরা প্রতিদিন ঝাঁপিয়ে পড়ি। প্রায়শই, দীর্ঘস্থায়ী অনুমানগুলো পুনর্বিবেচনা করতে হয়। ফ্রান্স বিশ্বের অন্যতম বড় শক্তি যা সবসময়ই ভারতের উদ্বেগ এবং অগ্রাধিকারের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল ও প্রতিক্রিয়াশীল।”

এসময়, বর্তমান ফ্রান্স-ভারতের সম্পর্ককে বিগত ৭৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে আখ্যায়িত করেন জয়শঙ্কর। এই শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পেছনে উভয় রাষ্ট্রের গণতন্ত্র এবং সর্বজনীন মানবিক মূল্যবোধে অগাধ বিশ্বাস মূলভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ভারত যখন প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় এবং পরবর্তীকালে পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ হয়ে উঠে, তখন ভারতকে সমর্থন দানকারী রাষ্ট্র হিসেবে  অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখে ফ্রান্স। ১৯৫০ সালে ভারত সর্বপ্রথম ফ্রান্সের কাছ থেকেই যুদ্ধবিমান কিনেছিলো।

এরপর থেকে এখনও অবধি ফরাসী বিমান ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ভারতের সামরিক বাহিনীগুলোর অবিচ্ছেদ্য অংশ। ১৯৯৮ সালে পারমাণবিক পরীক্ষার পর ফ্রান্সই প্রথম পারমাণবিক রাষ্ট্র, যারা আমাদের সমর্থনে ও সহায়তায় এগিয়ে আসে। তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীও ফ্রান্সকে পরম মিত্র হিসেবে জ্ঞান করতেন।

একইভাবে, ২০০৮ সালে বেসামরিক পারমাণবিক শক্তিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পুনরায় প্রাপ্তির জন্য ভারতের আবেদনকে পারমাণবিক সরবরাহকারী গ্রুপ থেকে ছাড়পত্র পাইয়ে দিতে ভরপুর সাহায্য করেছিলো ফ্রান্স।

উল্লেখ্য, মহাকাশ গবেষণা, পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি সহ বহুমুখী স্তরে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে। উভয় রাষ্ট্র এঁকে অন্যকে বিভিন্ন বহুপাক্ষিক ফোরামে আকণ্ঠ সমর্থন দিয়ে থাকে। তাছাড়া, শীর্ষ পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগের ফলে দিনকে দিন আরও উন্নত হচ্ছে দু দেশের সম্পর্ক। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক