০২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে আটক ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত মুক্তির দাবি নয়াদিল্লীর

পাক জেলে বন্দী বেসামরিক ভারতীয় নাগরিক এবং ৩৫৬ মত্সজীবীর দ্রুত মুক্তি ও প্রত্যাবাসন চেয়েছে ভারত। গত ০১ জানুয়ারী, শনিবার, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে বলা হয়, “পাকিস্তানে বন্দী থাকা ভারতীয়দের মধ্যে ১৮২ জেলে এবং ১৭ বেসামরিক বন্দীকে অবিলম্বে কনস্যুলার অ্যাক্সেস দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়াও, ভারত সরকার পাকিস্তানের হেফাজতে থাকা অন্য বেসামরিক বন্দী, নিখোঁজ ভারতীয় প্রতিরক্ষা কর্মী এবং জেলেদের তাদের নৌকা সহ দ্রুত মুক্তি ও প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়েছে।”

উল্লেখ্য, প্রতিবছরই বন্দি তালিকা বিনিময় করে থাকে ভারত ও পাকিস্তান। ২০০৮ সালে এমন একটি চুক্তি হয়েছিলো দু দেশের মাঝে যেখানে উভয় রাষ্ট্র এঁকে অন্যের হেফাজতে থাকা বন্দী নাগরিকদের তালিকা বিনিময় করে থাকে। প্রতিবছরই ১ জানুয়ারী এবং ১ জুলাই তারিখে এই তালিকা বিনিময় করে দু দেশ।

এর ধারাবাহিকতায় এ বছরও বন্দী তালিকা বিনিময় করেছে দু দেশ। নয়াদিল্লি এবং ইসলামাবাদে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে একযোগে বিনিময় করা বেসামরিক বন্দি এবং জেলেদের তালিকা অনুযায়ী, ভারতে বর্তমানে ২৮২ জন পাকিস্তানি বেসামরিক বন্দি রয়েছে এবং ৭৩ জন পাক মত্সজীবী ভারতীয় কারাগারে রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের হেফাজতে রয়েছে ৫১ জন ভারতীয় বেসামরিক বন্দি এবং ৫৭৭ মত্সজীবী।

এছাড়াও, পারমাণবিক স্থাপনার তালিকা বিনিময় করেছে চির প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই প্রতিবেশী দেশ। একটি পারমাণবিক চুক্তির অধীনে প্রতি বছর জানুয়ারির ১ তারিখে দেশ দুইটি পারমাণবিক স্থাপনা সম্পর্কিত তথ্য ভাগাভাগি করে। জানা গিয়েছে, পারমাণবিক স্থাপনার তালিকা একযোগে নয়াদিল্লি এবং ইসলামাবাদে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে বিনিময় করা হয়। পারমাণবিক স্থাপনার বিরুদ্ধে আক্রমণের নিষেধাজ্ঞার চুক্তির বিধান অনুসারে এই তালিকা বিনিময় করা হয়।

চুক্তিটি ১৯৮৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ১৯৯১ সালের ২৭ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল। এতে বলা হয়েছে যে ভারত ও পাকিস্তানকে প্রতি ক্যালেন্ডার বছরের ১ জানুয়ারি চুক্তির আওতায় পরমাণু স্থাপনাসমূহ একে অপরকে জানাতে হবে। অবশ্য উভয় পক্ষই নিজেদের পারমাণবিক স্থাপনার বিবরণ প্রকাশ করে না। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

পাকিস্তানে আটক ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত মুক্তির দাবি নয়াদিল্লীর

প্রকাশ: ০৫:৪১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ জানুয়ারী ২০২২

পাক জেলে বন্দী বেসামরিক ভারতীয় নাগরিক এবং ৩৫৬ মত্সজীবীর দ্রুত মুক্তি ও প্রত্যাবাসন চেয়েছে ভারত। গত ০১ জানুয়ারী, শনিবার, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে বলা হয়, “পাকিস্তানে বন্দী থাকা ভারতীয়দের মধ্যে ১৮২ জেলে এবং ১৭ বেসামরিক বন্দীকে অবিলম্বে কনস্যুলার অ্যাক্সেস দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়াও, ভারত সরকার পাকিস্তানের হেফাজতে থাকা অন্য বেসামরিক বন্দী, নিখোঁজ ভারতীয় প্রতিরক্ষা কর্মী এবং জেলেদের তাদের নৌকা সহ দ্রুত মুক্তি ও প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়েছে।”

উল্লেখ্য, প্রতিবছরই বন্দি তালিকা বিনিময় করে থাকে ভারত ও পাকিস্তান। ২০০৮ সালে এমন একটি চুক্তি হয়েছিলো দু দেশের মাঝে যেখানে উভয় রাষ্ট্র এঁকে অন্যের হেফাজতে থাকা বন্দী নাগরিকদের তালিকা বিনিময় করে থাকে। প্রতিবছরই ১ জানুয়ারী এবং ১ জুলাই তারিখে এই তালিকা বিনিময় করে দু দেশ।

এর ধারাবাহিকতায় এ বছরও বন্দী তালিকা বিনিময় করেছে দু দেশ। নয়াদিল্লি এবং ইসলামাবাদে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে একযোগে বিনিময় করা বেসামরিক বন্দি এবং জেলেদের তালিকা অনুযায়ী, ভারতে বর্তমানে ২৮২ জন পাকিস্তানি বেসামরিক বন্দি রয়েছে এবং ৭৩ জন পাক মত্সজীবী ভারতীয় কারাগারে রয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের হেফাজতে রয়েছে ৫১ জন ভারতীয় বেসামরিক বন্দি এবং ৫৭৭ মত্সজীবী।

এছাড়াও, পারমাণবিক স্থাপনার তালিকা বিনিময় করেছে চির প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই প্রতিবেশী দেশ। একটি পারমাণবিক চুক্তির অধীনে প্রতি বছর জানুয়ারির ১ তারিখে দেশ দুইটি পারমাণবিক স্থাপনা সম্পর্কিত তথ্য ভাগাভাগি করে। জানা গিয়েছে, পারমাণবিক স্থাপনার তালিকা একযোগে নয়াদিল্লি এবং ইসলামাবাদে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে বিনিময় করা হয়। পারমাণবিক স্থাপনার বিরুদ্ধে আক্রমণের নিষেধাজ্ঞার চুক্তির বিধান অনুসারে এই তালিকা বিনিময় করা হয়।

চুক্তিটি ১৯৮৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ১৯৯১ সালের ২৭ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল। এতে বলা হয়েছে যে ভারত ও পাকিস্তানকে প্রতি ক্যালেন্ডার বছরের ১ জানুয়ারি চুক্তির আওতায় পরমাণু স্থাপনাসমূহ একে অপরকে জানাতে হবে। অবশ্য উভয় পক্ষই নিজেদের পারমাণবিক স্থাপনার বিবরণ প্রকাশ করে না। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক