০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুচির শাস্তির প্রতিবাদ জানালো ভারত

সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানি ও করোনার বিধিনিষেধ ভঙ্গের মামলায় মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চি’র কারাদণ্ডাদেশে বিরক্তি প্রকাশ করেছে ভারত। ০৭ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এই রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

দপ্তরের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী এক প্রেসব্রিফিং এ বলেন, “সম্প্রতি হওয়া অং সাং সুচির রায়ে আমরা যারপরনাই বিরক্ত হয়েছি। প্রতিবেশী ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আমরা সর্বদাই মায়ানমারের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে সমর্থন দিই। আমরা বিশ্বাস করি, আইনের শাসন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অবশ্যই সমুন্নত রাখতে হবে।”

পররাষ্ট্র দপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “যেকোনো পদক্ষেপ, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করে এবং পার্থক্য বাড়ায়, তা গভীর উদ্বেগের বিষয়। এটা আমাদের আন্তরিক আশা যেনো মায়ানমারের বর্তমান সরকার তাদের জাতির ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আলোচনার পথে অগ্রসর হওয়ার পদক্ষেপ নিবে।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে চার বছরের সাজা ঘোষণা করে দেশটির সামরিক আদালত। পরবর্তীতে কারাদণ্ডাদেশ চার বছর থেকে কমিয়ে দুই বছর করে জান্তার সরকার। যদিও একই অভিযোগে সুচির সহযোগী ও মিয়ানমারের পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টের ৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখা হয়েছে।

জান্তা সরকার প্রধান মিন অং হ্লাইং বিশেষ ক্ষমতাবলে সু চির সাজা কমিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে আরও কয়েকটি মামলায় এখনও রায় হওয়া বাকি রয়েছে সুচির।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি ভোরে সুচিকে আটক করে সামরিক বাহিনী। এরপর তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সামরিক শাসন জারি করে। প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে বেসামরিক মানুষ। চলমান আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন এক হাজার তিনশ’র বেশি মানুষ। জান্তা সরকারের দমন পীড়নের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে আসছে বিশ্ব সম্প্রদায়। সুচি’র মুক্তির দাবি জানিয়েছে পশ্চিমারা। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

সুচির শাস্তির প্রতিবাদ জানালো ভারত

প্রকাশ: ০১:৫৮:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২১

সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানি ও করোনার বিধিনিষেধ ভঙ্গের মামলায় মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চি’র কারাদণ্ডাদেশে বিরক্তি প্রকাশ করেছে ভারত। ০৭ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এই রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

দপ্তরের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী এক প্রেসব্রিফিং এ বলেন, “সম্প্রতি হওয়া অং সাং সুচির রায়ে আমরা যারপরনাই বিরক্ত হয়েছি। প্রতিবেশী ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আমরা সর্বদাই মায়ানমারের গণতান্ত্রিক উত্তরণকে সমর্থন দিই। আমরা বিশ্বাস করি, আইনের শাসন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অবশ্যই সমুন্নত রাখতে হবে।”

পররাষ্ট্র দপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “যেকোনো পদক্ষেপ, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুণ্ন করে এবং পার্থক্য বাড়ায়, তা গভীর উদ্বেগের বিষয়। এটা আমাদের আন্তরিক আশা যেনো মায়ানমারের বর্তমান সরকার তাদের জাতির ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আলোচনার পথে অগ্রসর হওয়ার পদক্ষেপ নিবে।”

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে চার বছরের সাজা ঘোষণা করে দেশটির সামরিক আদালত। পরবর্তীতে কারাদণ্ডাদেশ চার বছর থেকে কমিয়ে দুই বছর করে জান্তার সরকার। যদিও একই অভিযোগে সুচির সহযোগী ও মিয়ানমারের পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টের ৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখা হয়েছে।

জান্তা সরকার প্রধান মিন অং হ্লাইং বিশেষ ক্ষমতাবলে সু চির সাজা কমিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে আরও কয়েকটি মামলায় এখনও রায় হওয়া বাকি রয়েছে সুচির।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি ভোরে সুচিকে আটক করে সামরিক বাহিনী। এরপর তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সামরিক শাসন জারি করে। প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে বেসামরিক মানুষ। চলমান আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন এক হাজার তিনশ’র বেশি মানুষ। জান্তা সরকারের দমন পীড়নের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে আসছে বিশ্ব সম্প্রদায়। সুচি’র মুক্তির দাবি জানিয়েছে পশ্চিমারা। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক