০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ওএইচসিএইচআর-কে একহাত নিলো ভারত

জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ওএইচসিএইচআর-কে রীতিমতো ধুয়ে দিলো ভারত। ০২ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার, এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, ভারতীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার অভিযোগ “ভিত্তিহীন এবং ভিত্তিহীন।”

পররাষ্ট্র দপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “আমরা জম্মু ও কাশ্মীরের নির্দিষ্ট ঘটনার বিষয়ে হাইকমিশনার ফর হিউম্যান রাইটস (ওএইচসিএইচআর) অফিসের মুখপাত্রের বিবৃতি দেখেছি। বিবৃতিটিতে ভারতের আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট অভিযোগ করা হয়েছে।”

বাগচী বলেন, “গোটা বিবৃতিটিতে ভারতের বিরুদ্ধাচরণ করা হয়েছে। ভারত যে ধরণের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস মোকাবেলা করে থাকে, সে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে এবং আমাদের নাগরিকদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।”

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, “নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন সমূহকে ‘সশস্ত্র গোষ্ঠী’ হিসাবে আখ্যা দেয়ার বিষয়টি ওএইচসিএইচআর -এর পক্ষ থেকে স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব প্রদর্শন করে।”

এসময়, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে নিজের নাগরিকদের মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষার অবিচল প্রতিশ্রুতি সহ সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয় বলে মন্তব্য করেন বাগচী। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা আইন, যেমন বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন, ১৯৬৭ (ইউএপিএ), ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই সংসদ কর্তৃক প্রণীত হয়েছিলো।”

ওএইচসিএইচআর এর দেয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার এবং পরবর্তীতে আটক করা সম্পূর্ণভাবে আইনের বিধান অনুসারে করা হয়েছিলো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ০১ ডিসেম্বর, বুধবার, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ) এর অধীনে একজন কাশ্মীরি কর্মীকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলো ওএইচসিএইচআর। পাশাপাশি ব্যাক্তিটির মুক্তির আহবানও জানিয়েছিলো তাঁরা।

ওএইচসিএইচআর -এর বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছিল যে ইউএপিএ-এর অধীনে কোনো ব্যক্তিকে কয়েক মাস ধরে বিনা অভিযোগে আটকে রাখা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি সংশোধনের দাবি জানিয়েছিলো সংস্থাটি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

ওএইচসিএইচআর-কে একহাত নিলো ভারত

প্রকাশ: ১২:১৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২১

জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ওএইচসিএইচআর-কে রীতিমতো ধুয়ে দিলো ভারত। ০২ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার, এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, ভারতীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার অভিযোগ “ভিত্তিহীন এবং ভিত্তিহীন।”

পররাষ্ট্র দপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “আমরা জম্মু ও কাশ্মীরের নির্দিষ্ট ঘটনার বিষয়ে হাইকমিশনার ফর হিউম্যান রাইটস (ওএইচসিএইচআর) অফিসের মুখপাত্রের বিবৃতি দেখেছি। বিবৃতিটিতে ভারতের আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট অভিযোগ করা হয়েছে।”

বাগচী বলেন, “গোটা বিবৃতিটিতে ভারতের বিরুদ্ধাচরণ করা হয়েছে। ভারত যে ধরণের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস মোকাবেলা করে থাকে, সে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে এবং আমাদের নাগরিকদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।”

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, “নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন সমূহকে ‘সশস্ত্র গোষ্ঠী’ হিসাবে আখ্যা দেয়ার বিষয়টি ওএইচসিএইচআর -এর পক্ষ থেকে স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব প্রদর্শন করে।”

এসময়, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে নিজের নাগরিকদের মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষার অবিচল প্রতিশ্রুতি সহ সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয় বলে মন্তব্য করেন বাগচী। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা আইন, যেমন বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন, ১৯৬৭ (ইউএপিএ), ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই সংসদ কর্তৃক প্রণীত হয়েছিলো।”

ওএইচসিএইচআর এর দেয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার এবং পরবর্তীতে আটক করা সম্পূর্ণভাবে আইনের বিধান অনুসারে করা হয়েছিলো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ০১ ডিসেম্বর, বুধবার, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ) এর অধীনে একজন কাশ্মীরি কর্মীকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলো ওএইচসিএইচআর। পাশাপাশি ব্যাক্তিটির মুক্তির আহবানও জানিয়েছিলো তাঁরা।

ওএইচসিএইচআর -এর বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছিল যে ইউএপিএ-এর অধীনে কোনো ব্যক্তিকে কয়েক মাস ধরে বিনা অভিযোগে আটকে রাখা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি সংশোধনের দাবি জানিয়েছিলো সংস্থাটি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক