০৫:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বুধবার খুলছে শ্রী করতারপুর সাহিব করিডোর

শিখদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ‘গুরুপুরব’ (গুরু নানকের জন্মদিন) এর মাত্র দুই দিন পূর্বে পাকিস্তানে অবস্থিত দরবার সাহিব করতারপুর যাওয়ার রাস্তা ‘করতারপুর করিডোর’ খুলে দিচ্ছে ভারত। আগামী ১৭ নভেম্বর, বুধবার, করিডোরটি খুলে দেওয়া হচ্ছে দর্শনার্থীদের জন্য। মোদী সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে বিপুল সংখ্যক শিখ তীর্থযাত্রী উপকৃত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৬ নভেম্বর, বুধবার, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় করিডোরটি পুনরায় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে গত বছরের ১৬ মার্চ করোনা সংক্রমণ প্রতিহত করতে করিডোরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো।

করিডোরটি পুনরায় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তকে শিখ সম্প্রদায়ের প্রতি মোদী সরকারের পূর্ণ সমর্থন ও দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করে জানিয়েছেন, “কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাল থেকেই খুলে যাচ্ছে বিখ্যাত শিখ তীর্থক্ষেত্রের করিডোর। ফলে বুধবার ভারত থেকে শিখরা পাকিস্তানে যেতে পারবেন। এই সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন বহু শিখ তীর্থযাত্রী।” এর আগে এই ৪.৪ কিলোমিটার লম্বা করিডোর ১ বছরের বেশি সময় বন্ধ রাখার জন্য পাকিস্তানকে দোষারোপ করেছিলো কেন্দ্রীয় সরকার।

জানা গিয়েছে, কোভিড বিধি মেনে তবেই তীর্থে যেতে পারবেন শিখরা। মানতে হবে শারীরিক দূরত্ববিধিও। এছাড়াও টিকার দুটো ডোজ, ৭২ ঘণ্টা আগে আরটি-পিসিআর নেগেটিভ টেস্ট রিপোর্ট বাধ্যতামূলক থাকছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে কর্তারপুর সাহিব করিডর খোলা হয়েছিল। কোভিডের কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাসে বন্ধ করে দেওয়া হয় কর্তারপুর করিডর। এর মধ্যে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের তরফে ভারতের কাছে কর্তারপুর সাহিব করিডর খোলার আবেদন করা হয়।

অন্যদিকে দু’দিন আগে পাঞ্জাবের বিজেপি নেতারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে কর্তারপুর সাহিব করিডর খোলার আবেদন করেন। এই মর্মে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছিলেন তাঁরা। অবশেষে সেই আবেদনে মান্যতা দিলো ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। খুলে গেল কর্তারপুর করিডর।

উল্লেখ্য, প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তা পার করে ভারত থেকে পাকিস্তানের কর্তারপুরে যান শিখ তীর্থযাত্রীরা। এর জন্য ভারতীয় শিখদের কোনো রকম ভিসা লাগে না। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

 

ট্যাগ:

বুধবার খুলছে শ্রী করতারপুর সাহিব করিডোর

প্রকাশ: ০৩:০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১

শিখদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ‘গুরুপুরব’ (গুরু নানকের জন্মদিন) এর মাত্র দুই দিন পূর্বে পাকিস্তানে অবস্থিত দরবার সাহিব করতারপুর যাওয়ার রাস্তা ‘করতারপুর করিডোর’ খুলে দিচ্ছে ভারত। আগামী ১৭ নভেম্বর, বুধবার, করিডোরটি খুলে দেওয়া হচ্ছে দর্শনার্থীদের জন্য। মোদী সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে বিপুল সংখ্যক শিখ তীর্থযাত্রী উপকৃত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

১৬ নভেম্বর, বুধবার, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটায় করিডোরটি পুনরায় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে গত বছরের ১৬ মার্চ করোনা সংক্রমণ প্রতিহত করতে করিডোরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো।

করিডোরটি পুনরায় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তকে শিখ সম্প্রদায়ের প্রতি মোদী সরকারের পূর্ণ সমর্থন ও দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করে জানিয়েছেন, “কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাল থেকেই খুলে যাচ্ছে বিখ্যাত শিখ তীর্থক্ষেত্রের করিডোর। ফলে বুধবার ভারত থেকে শিখরা পাকিস্তানে যেতে পারবেন। এই সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন বহু শিখ তীর্থযাত্রী।” এর আগে এই ৪.৪ কিলোমিটার লম্বা করিডোর ১ বছরের বেশি সময় বন্ধ রাখার জন্য পাকিস্তানকে দোষারোপ করেছিলো কেন্দ্রীয় সরকার।

জানা গিয়েছে, কোভিড বিধি মেনে তবেই তীর্থে যেতে পারবেন শিখরা। মানতে হবে শারীরিক দূরত্ববিধিও। এছাড়াও টিকার দুটো ডোজ, ৭২ ঘণ্টা আগে আরটি-পিসিআর নেগেটিভ টেস্ট রিপোর্ট বাধ্যতামূলক থাকছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে কর্তারপুর সাহিব করিডর খোলা হয়েছিল। কোভিডের কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাসে বন্ধ করে দেওয়া হয় কর্তারপুর করিডর। এর মধ্যে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের তরফে ভারতের কাছে কর্তারপুর সাহিব করিডর খোলার আবেদন করা হয়।

অন্যদিকে দু’দিন আগে পাঞ্জাবের বিজেপি নেতারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করে কর্তারপুর সাহিব করিডর খোলার আবেদন করেন। এই মর্মে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছিলেন তাঁরা। অবশেষে সেই আবেদনে মান্যতা দিলো ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। খুলে গেল কর্তারপুর করিডর।

উল্লেখ্য, প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তা পার করে ভারত থেকে পাকিস্তানের কর্তারপুরে যান শিখ তীর্থযাত্রীরা। এর জন্য ভারতীয় শিখদের কোনো রকম ভিসা লাগে না। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক