০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানে জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন

আফগানিস্তানের জনগণের জন্য জরুরী ভিত্তিতে মানবিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তর। গত ১১ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিং চলাকালে দপ্তরের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, “আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিতে জরুরী ভিত্তিতে মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। কিন্তু দেশটিতে নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার না থাকায় সহায়তা পৌঁছাতেও সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।”

উল্লেখ্য, তালেবান ক্ষমতা দখলের পর সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদ ঠেকাতে আফগান ইস্যুতে এই প্রথম উচ্চ স্তরের আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপ আয়োজন করলো ভারত। গত ১০ নভেম্বর, বুধবার, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।

এবারের নিরাপত্তা সংলাপে ভারত ছাড়াও রাশিয়া, ইরান সহ আরও সাতটি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। দেশ গুলো যথাক্রমে, ইরান, কাজাখস্তান, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং উজবেকিস্তান।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এর আগে সর্বশেষ ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে ইরানে আফগান ইস্যুতে নিরাপত্তা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। গতবছর করোনার কারণে সংলাপটি বাতিল হয়ে যায়।

বাগচী আরও বলেন, “আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ মোটেও কাম্য নয়। সেখানকার ভূখণ্ড যেনো কোনোভাবেই সন্ত্রাসীরা ব্যবহার না করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। সংলাপে অংশগ্রহণকারী সকল দেশ এই ইস্যুতে একমত পোষণ করেছে।”

আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা প্রসঙ্গে বাগচী বলেন, “আফগান ইস্যুতে এবং আফগান জনগণের প্রতি ভারতের সর্বোচ্চ সমর্থন রয়েছে। আমরা পূর্বেও আফগান জনগণের পাশেই ছিলাম। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত দৃশ্যমান। তাই তাদের মানবিক সহায়তা অব্যহত রাখতে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবো আমরা।”

প্রসঙ্গত, বৈঠকে অংশ নিয়ে আঞ্চলিক ও প্রতিবেশী সকল রাষ্ট্রের মধ্যে ঘনিষ্ঠ পরামর্শ, বৃহত্তর সহযোগিতা, মিথস্ক্রিয়া এবং সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।

নিজ বক্তব্যে অজিত দোভাল বলেছিলেন, “আমরা আফগান ইস্যুতে আলোচনা করতে বৈঠকে বসেছি। আমরা সকলেই আফগানিস্তানের সার্বিক পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছি। সেখানকার যাবতীয় পরিস্থিতি শুধু দেশটির জনগণের উপরই নয়, এর প্রতিবেশী সকল রাষ্ট্রের উপরই প্রভাব ফেলছে।”

এছাড়াও, সংলাপ পরবর্তীতে এক যৌথ বিবৃতিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো। বিবৃতিতে কঠোর ভাষায় সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা করা হয়েছে এবং আফগানিস্তান যাতে কখনও বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য এর অর্থায়ন, সন্ত্রাসবাদের অবকাঠামো ধ্বংস করা এবং মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াই সহ সন্ত্রাসবাদের সমস্ত রূপ ও প্রকাশের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

ঘোষণায় আফগানিস্তানে একটি উন্মুক্ত এবং সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা আফগানিস্তানের সমস্ত জনগণের ইচ্ছার প্রতিনিধিত্ব করে এবং দেশের প্রধান জাতি-রাজনৈতিক শক্তি সহ তাদের সমাজের সকল অংশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে।

আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং এর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অ-হস্তক্ষেপের উপর জোর দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং স্থিতিশীল আফগানিস্তান গঠনের অঙ্গীকার করেছে সংলাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো।

আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ দমন ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত রেজুলেশন এর কথা স্মরণ করে দিল্লি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা উল্লেখ করেছেন যে আফগানিস্তানে জাতিসংঘের একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রয়েছে এবং দেশটিতে এর অব্যাহত উপস্থিতি অবশ্যই সংরক্ষণ করা উচিত। নারী, শিশু এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মৌলিক অধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয় তা নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন তাঁরা।

সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা আফগানিস্তানের অবনতিশীল আর্থ-সামাজিক ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আফগানিস্তানের জনগণকে জরুরী মানবিক সহায়তা প্রদানের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

তারা পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা একটি নিরবচ্ছিন্ন, প্রত্যক্ষ এবং নিশ্চিত পদ্ধতিতে সরবরাহ করা উচিত এবং আফগান সমাজের সমস্ত বিভাগে বৈষম্যহীনভাবে দেশের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করতে হবে। পাশাপাশি করোনা বিস্তার রোধে আফগানিস্তানে সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা।

জানা গিয়েছে, চীন এবং পাকিস্তানকেও সংলাপে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। তবে পাকিস্তান এবং চীন সংলাপটিতে অংশগ্রহণ করবেনা বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলো।

পাকিস্তানের অংশগ্রহণ না করার বিষয়টিকে ইতোমধ্যে দুর্ভাগ্যজনক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ভারতীয় বোদ্ধামহল। তবে বিষয়টি যে আফগানিস্তানে তালেবান শাসনকে বৈধতা দেয়ার প্রচেষ্টা, সে বিষয়ে ঐক্যমত্য প্রকাশ করেছে নিরাপত্তা বিশ্লেষকগণ।

চীনের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, “আমরা চীনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। কিন্তু শিডিউল ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে তাঁরা অংশ নেয়নি। এখন তাঁরা কী করবে, কোথায় যাবে, সেসব নিয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করতে চাইনা।”

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

আফগানিস্তানে জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন

প্রকাশ: ০৫:২৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ নভেম্বর ২০২১

আফগানিস্তানের জনগণের জন্য জরুরী ভিত্তিতে মানবিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তর। গত ১১ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিং চলাকালে দপ্তরের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, “আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিতে জরুরী ভিত্তিতে মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। কিন্তু দেশটিতে নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার না থাকায় সহায়তা পৌঁছাতেও সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।”

উল্লেখ্য, তালেবান ক্ষমতা দখলের পর সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদ ঠেকাতে আফগান ইস্যুতে এই প্রথম উচ্চ স্তরের আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপ আয়োজন করলো ভারত। গত ১০ নভেম্বর, বুধবার, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।

এবারের নিরাপত্তা সংলাপে ভারত ছাড়াও রাশিয়া, ইরান সহ আরও সাতটি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। দেশ গুলো যথাক্রমে, ইরান, কাজাখস্তান, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং উজবেকিস্তান।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এর আগে সর্বশেষ ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে ইরানে আফগান ইস্যুতে নিরাপত্তা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। গতবছর করোনার কারণে সংলাপটি বাতিল হয়ে যায়।

বাগচী আরও বলেন, “আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ মোটেও কাম্য নয়। সেখানকার ভূখণ্ড যেনো কোনোভাবেই সন্ত্রাসীরা ব্যবহার না করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। সংলাপে অংশগ্রহণকারী সকল দেশ এই ইস্যুতে একমত পোষণ করেছে।”

আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা প্রসঙ্গে বাগচী বলেন, “আফগান ইস্যুতে এবং আফগান জনগণের প্রতি ভারতের সর্বোচ্চ সমর্থন রয়েছে। আমরা পূর্বেও আফগান জনগণের পাশেই ছিলাম। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত দৃশ্যমান। তাই তাদের মানবিক সহায়তা অব্যহত রাখতে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবো আমরা।”

প্রসঙ্গত, বৈঠকে অংশ নিয়ে আঞ্চলিক ও প্রতিবেশী সকল রাষ্ট্রের মধ্যে ঘনিষ্ঠ পরামর্শ, বৃহত্তর সহযোগিতা, মিথস্ক্রিয়া এবং সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।

নিজ বক্তব্যে অজিত দোভাল বলেছিলেন, “আমরা আফগান ইস্যুতে আলোচনা করতে বৈঠকে বসেছি। আমরা সকলেই আফগানিস্তানের সার্বিক পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছি। সেখানকার যাবতীয় পরিস্থিতি শুধু দেশটির জনগণের উপরই নয়, এর প্রতিবেশী সকল রাষ্ট্রের উপরই প্রভাব ফেলছে।”

এছাড়াও, সংলাপ পরবর্তীতে এক যৌথ বিবৃতিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো। বিবৃতিতে কঠোর ভাষায় সমস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিন্দা করা হয়েছে এবং আফগানিস্তান যাতে কখনও বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য এর অর্থায়ন, সন্ত্রাসবাদের অবকাঠামো ধ্বংস করা এবং মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াই সহ সন্ত্রাসবাদের সমস্ত রূপ ও প্রকাশের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

ঘোষণায় আফগানিস্তানে একটি উন্মুক্ত এবং সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা আফগানিস্তানের সমস্ত জনগণের ইচ্ছার প্রতিনিধিত্ব করে এবং দেশের প্রধান জাতি-রাজনৈতিক শক্তি সহ তাদের সমাজের সকল অংশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে।

আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং এর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অ-হস্তক্ষেপের উপর জোর দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং স্থিতিশীল আফগানিস্তান গঠনের অঙ্গীকার করেছে সংলাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো।

আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ দমন ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত রেজুলেশন এর কথা স্মরণ করে দিল্লি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা উল্লেখ করেছেন যে আফগানিস্তানে জাতিসংঘের একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রয়েছে এবং দেশটিতে এর অব্যাহত উপস্থিতি অবশ্যই সংরক্ষণ করা উচিত। নারী, শিশু এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মৌলিক অধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয় তা নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন তাঁরা।

সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা আফগানিস্তানের অবনতিশীল আর্থ-সামাজিক ও মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আফগানিস্তানের জনগণকে জরুরী মানবিক সহায়তা প্রদানের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

তারা পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা একটি নিরবচ্ছিন্ন, প্রত্যক্ষ এবং নিশ্চিত পদ্ধতিতে সরবরাহ করা উচিত এবং আফগান সমাজের সমস্ত বিভাগে বৈষম্যহীনভাবে দেশের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করতে হবে। পাশাপাশি করোনা বিস্তার রোধে আফগানিস্তানে সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা।

জানা গিয়েছে, চীন এবং পাকিস্তানকেও সংলাপে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। তবে পাকিস্তান এবং চীন সংলাপটিতে অংশগ্রহণ করবেনা বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলো।

পাকিস্তানের অংশগ্রহণ না করার বিষয়টিকে ইতোমধ্যে দুর্ভাগ্যজনক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ভারতীয় বোদ্ধামহল। তবে বিষয়টি যে আফগানিস্তানে তালেবান শাসনকে বৈধতা দেয়ার প্রচেষ্টা, সে বিষয়ে ঐক্যমত্য প্রকাশ করেছে নিরাপত্তা বিশ্লেষকগণ।

চীনের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, “আমরা চীনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। কিন্তু শিডিউল ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে তাঁরা অংশ নেয়নি। এখন তাঁরা কী করবে, কোথায় যাবে, সেসব নিয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করতে চাইনা।”

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক