০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারত ইন্দো-প্যাসিফিকের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ গুরুত্ব সহকারে দেখে: জয়শঙ্কর

ভারত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সকল ধরণের সুযোগ, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ সমূহকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ২৯ অক্টোবর, শুক্রবার, ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত ইন্দো-প্যাসিফিক বিজনেস ফোরামের (আইপিবিএফ) চতুর্থ সংস্করণে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

জয়শঙ্কর বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করবেন, ইন্দো-প্যাসিফিক ওশান ইনিশিয়েটিভ কিংবা কোয়াড এর মাধ্যমে গৃহীত ভ্যাকসিন সহযোগিতা, আন্তর্জাতিক সৌর জোট কিংবা দুর্যোগ প্রতিরোধী অবকাঠামোর জন্য জোট, আমাদের সব বৈশ্বিক প্রচেষ্টা এই অঞ্চলের জন্য সরাসরি প্রাসঙ্গিক।”

বিশ্বায়নের ক্ষেত্র ইন্দো-প্যাসিফিক গোটা বিশ্বের অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালনকারী বলে মন্তব্য করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “বহু-মেরুত্বের উত্থান এবং পুনঃ ভারসাম্যের সুবিধার মাধ্যমে আন্তঃ নির্ভরতা এবং আন্তঃ অনুপ্রবেশ উভয়কেই প্রতিফলিত করে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্

এসময়, ভারত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে একটি স্বাধীন, উন্মুক্ত এবং অন্তর্ভূক্তিমূলক অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করে বলেও জানান ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিজ ভৌগলিক অবস্থানের সকলের অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির অভিন্ন সাধনায় নিজ কিংবা বহিরাগত, সকলকে আলিঙ্গন করে।অ্যা

জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত বিশ্বাস করে যে, আমাদের সাধারণ সমৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার জন্য আমাদেরকে সংলাপের মাধ্যমে এই অঞ্চলের জন্য একটি সাধারণ নিয়ম ভিত্তিক আদেশের বিকাশ ঘটাতে হবে। এমন এক আদেশের বিকাশ হবে এটি, যেখানে সবার সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত হবে, আন্তর্জাতিক আইন মানা হবে এবং সমস্ত জাতির সমতাকে সম্মান করতে হবে। এখানে নির্বিঘ্ন নৌচলাচল এবং ওভারফ্লাইটের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি, মুক্ত বাণিজ্য নিশ্চিত করতে হবে।

ভারত জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য গোটা অঞ্চল জুড়ে একটি ন্যায্য, উন্মুক্ত, ভারসাম্যপূর্ণ, নিয়ম-ভিত্তিক এবং স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার তরফদারি করে বলেও জানান মন্ত্রী জয়শঙ্কর। সকলের সহযোগিতা ও সমর্থনের উপর ভিত্তি করে অঞ্চলটির সমৃদ্ধি নিশ্চিতকরণে নিজেদের অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময়, মহামারী প্রতিরোধেও নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন জয়শঙ্কর। মহামারী পরবর্তী বিশ্ব গঠনে অর্থনীতি, স্বাস্থ্য এবং জলবায়ু ক্ষেত্রে ব্যাপক মাত্রায় কাজ করার আহবান জানান তিনি। সবুজ বৃদ্ধি অভিযানকে নতুন করে অগ্রাধিকার দেয়ার বিষয়ে নিজ অঙ্গীকার আবারও তুলে ধরেন অভিজ্ঞ এই কূটনীতিক।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

 

ট্যাগ:

ভারত ইন্দো-প্যাসিফিকের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ গুরুত্ব সহকারে দেখে: জয়শঙ্কর

প্রকাশ: ০৪:৩৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১

ভারত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সকল ধরণের সুযোগ, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ সমূহকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ২৯ অক্টোবর, শুক্রবার, ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত ইন্দো-প্যাসিফিক বিজনেস ফোরামের (আইপিবিএফ) চতুর্থ সংস্করণে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

জয়শঙ্কর বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করবেন, ইন্দো-প্যাসিফিক ওশান ইনিশিয়েটিভ কিংবা কোয়াড এর মাধ্যমে গৃহীত ভ্যাকসিন সহযোগিতা, আন্তর্জাতিক সৌর জোট কিংবা দুর্যোগ প্রতিরোধী অবকাঠামোর জন্য জোট, আমাদের সব বৈশ্বিক প্রচেষ্টা এই অঞ্চলের জন্য সরাসরি প্রাসঙ্গিক।”

বিশ্বায়নের ক্ষেত্র ইন্দো-প্যাসিফিক গোটা বিশ্বের অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালনকারী বলে মন্তব্য করেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “বহু-মেরুত্বের উত্থান এবং পুনঃ ভারসাম্যের সুবিধার মাধ্যমে আন্তঃ নির্ভরতা এবং আন্তঃ অনুপ্রবেশ উভয়কেই প্রতিফলিত করে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্

এসময়, ভারত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে একটি স্বাধীন, উন্মুক্ত এবং অন্তর্ভূক্তিমূলক অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করে বলেও জানান ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিজ ভৌগলিক অবস্থানের সকলের অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির অভিন্ন সাধনায় নিজ কিংবা বহিরাগত, সকলকে আলিঙ্গন করে।অ্যা

জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত বিশ্বাস করে যে, আমাদের সাধারণ সমৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার জন্য আমাদেরকে সংলাপের মাধ্যমে এই অঞ্চলের জন্য একটি সাধারণ নিয়ম ভিত্তিক আদেশের বিকাশ ঘটাতে হবে। এমন এক আদেশের বিকাশ হবে এটি, যেখানে সবার সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত হবে, আন্তর্জাতিক আইন মানা হবে এবং সমস্ত জাতির সমতাকে সম্মান করতে হবে। এখানে নির্বিঘ্ন নৌচলাচল এবং ওভারফ্লাইটের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি, মুক্ত বাণিজ্য নিশ্চিত করতে হবে।

ভারত জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য গোটা অঞ্চল জুড়ে একটি ন্যায্য, উন্মুক্ত, ভারসাম্যপূর্ণ, নিয়ম-ভিত্তিক এবং স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার তরফদারি করে বলেও জানান মন্ত্রী জয়শঙ্কর। সকলের সহযোগিতা ও সমর্থনের উপর ভিত্তি করে অঞ্চলটির সমৃদ্ধি নিশ্চিতকরণে নিজেদের অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময়, মহামারী প্রতিরোধেও নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন জয়শঙ্কর। মহামারী পরবর্তী বিশ্ব গঠনে অর্থনীতি, স্বাস্থ্য এবং জলবায়ু ক্ষেত্রে ব্যাপক মাত্রায় কাজ করার আহবান জানান তিনি। সবুজ বৃদ্ধি অভিযানকে নতুন করে অগ্রাধিকার দেয়ার বিষয়ে নিজ অঙ্গীকার আবারও তুলে ধরেন অভিজ্ঞ এই কূটনীতিক।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক