১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইন্দো-প্যাসিফিককে ‘ফ্যাক্ট অব লাইফ’ আখ্যা দিলেন জয়শঙ্কর

গোটা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে ‘ফ্যাক্ট অব লাইফ’ আখ্যা দিয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, “এই অঞ্চলকে অস্বীকার করলে তা হবে সমগ্র বিশ্বের বিশ্বায়নকে অস্বীকার করার সমতুল্য।”

গত ২৭ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ভারতের ন্যাশনাল মেরিটাইম ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ভারতীয় নৌবাহিনী কর্তৃক আয়োজিত ৩য় ইন্দো-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সংলাপে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

জয়শঙ্কর বলেন, “ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের গুরুত্ব অপরিসীম। যারা এই অঞ্চলের গুরুত্ব, অস্তিত্ব এবং একতার উপর সন্দেহ পোষণ করে কিংবা অভিযোগ তুলে, তারাও তাদের ব্যবহার এবং কাজকর্মের মাধ্যমে অঞ্চলটির বৈধতা দান করে। রাজনৈতিক বক্তব্য যাই হোক না কেনো, প্রকৃতপক্ষে সবাই সচেতন ভাবে অঞ্চলটির গুরুত্ব সম্পর্কে জানে।”

নিজ বক্তব্যে মোদী মন্ত্রীসভার এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী আরও বলেন, “এখন কথা হচ্ছে, ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চল সম্পর্কে বাস্তবতা যদি এতোটাই সুষ্পষ্ট হয়, তাহলে এখানে এতো জটিলতা কেনো স্থান করে নিচ্ছে! এর উত্তরটি সম্ভবত আমাদের মানসিকতায় নিহিত। সম্ভবত যারা এখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি উসকে দিচ্ছে, তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কেউ যদি স্নায়ুযুদ্ধের নীতিতে এই অঞ্চলে অবস্থান করতে চায়, তবে বাকিরা বিষয়টি এতো সহজে মেনে নিবে বলে মনে হয়না। অত্র অঞ্চল জুড়ে ভালো অর্জন ও সমৃদ্ধির জন্যে একটি বৃহত্তর, সহযোগিতামূলক এবং গণতান্ত্রিক পন্থায় কাজ করতে হবে।”

এসময়, বিশ্বায়নের জন্যেই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেন জয়শঙ্কর। পাশাপাশি বিশ্বায়নকে ত্বরান্বিত করতে নতুন উদ্ভাবনী ধারণার প্রয়োগ করার পরামর্শও দেন তিনি। জয়শঙ্কর বলেন, “এটি স্বাভাবিক যে, নতুন কিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিতে একটি ন্যূনতম সময়ের প্রয়োজন পড়বে। এই প্রক্রিয়াটি সহজতর করার জন্যে মনের উন্মুক্ততা এবং গ্রহণ করার মানসিকতা নিতে হবে। নিঃসন্দেহে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল ঘনিষ্ঠ হওয়ার নানামুখী উপায় রয়েছে।”

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

ইন্দো-প্যাসিফিককে ‘ফ্যাক্ট অব লাইফ’ আখ্যা দিলেন জয়শঙ্কর

প্রকাশ: ০৪:১৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

গোটা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে ‘ফ্যাক্ট অব লাইফ’ আখ্যা দিয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, “এই অঞ্চলকে অস্বীকার করলে তা হবে সমগ্র বিশ্বের বিশ্বায়নকে অস্বীকার করার সমতুল্য।”

গত ২৭ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ভারতের ন্যাশনাল মেরিটাইম ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ভারতীয় নৌবাহিনী কর্তৃক আয়োজিত ৩য় ইন্দো-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সংলাপে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

জয়শঙ্কর বলেন, “ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের গুরুত্ব অপরিসীম। যারা এই অঞ্চলের গুরুত্ব, অস্তিত্ব এবং একতার উপর সন্দেহ পোষণ করে কিংবা অভিযোগ তুলে, তারাও তাদের ব্যবহার এবং কাজকর্মের মাধ্যমে অঞ্চলটির বৈধতা দান করে। রাজনৈতিক বক্তব্য যাই হোক না কেনো, প্রকৃতপক্ষে সবাই সচেতন ভাবে অঞ্চলটির গুরুত্ব সম্পর্কে জানে।”

নিজ বক্তব্যে মোদী মন্ত্রীসভার এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী আরও বলেন, “এখন কথা হচ্ছে, ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চল সম্পর্কে বাস্তবতা যদি এতোটাই সুষ্পষ্ট হয়, তাহলে এখানে এতো জটিলতা কেনো স্থান করে নিচ্ছে! এর উত্তরটি সম্ভবত আমাদের মানসিকতায় নিহিত। সম্ভবত যারা এখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি উসকে দিচ্ছে, তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কেউ যদি স্নায়ুযুদ্ধের নীতিতে এই অঞ্চলে অবস্থান করতে চায়, তবে বাকিরা বিষয়টি এতো সহজে মেনে নিবে বলে মনে হয়না। অত্র অঞ্চল জুড়ে ভালো অর্জন ও সমৃদ্ধির জন্যে একটি বৃহত্তর, সহযোগিতামূলক এবং গণতান্ত্রিক পন্থায় কাজ করতে হবে।”

এসময়, বিশ্বায়নের জন্যেই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেন জয়শঙ্কর। পাশাপাশি বিশ্বায়নকে ত্বরান্বিত করতে নতুন উদ্ভাবনী ধারণার প্রয়োগ করার পরামর্শও দেন তিনি। জয়শঙ্কর বলেন, “এটি স্বাভাবিক যে, নতুন কিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিতে একটি ন্যূনতম সময়ের প্রয়োজন পড়বে। এই প্রক্রিয়াটি সহজতর করার জন্যে মনের উন্মুক্ততা এবং গ্রহণ করার মানসিকতা নিতে হবে। নিঃসন্দেহে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল ঘনিষ্ঠ হওয়ার নানামুখী উপায় রয়েছে।”

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক