০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে ৮০ পেরিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভালবাসা কি বয়স মানে? স্থান-কাল-পাত্র বিবেচনা করেও তো ভালবাসা হয় না। সমাজের চোখে যা অসংগতিপূর্ণ, ভালবাসা তাকেই আশকারা দেয়। প্রেমের সম্মোহনী শক্তি সব প্রতিকূলতাকেই হার মানায়। তাই তো সহজেই ৮০-তেও প্রেমে পড়া যায়। নতুন করে জীবন শুরু করা যায়। আর এমনই এক প্রবীণ মিষ্টি ভালবাসার সাক্ষী রইল ময়মনসিংহের গৌরিপুর  উপজেলার শ্যামগঞ্জ ইউনিয়ন।
কখনও পরিবার থেকে ব্রাত্য হয়ে, তো কখনও চাপা হতাশা বুকে নিয়ে দুটো আলাদা পরিবারে একই পরিস্থিতিতে দিন কাটছিলো ৮১ বছর বয়সী বৃদ্ধ মোঃ সুকুর মিয়া এবং ৮৩ বছর বয়সী বৃদ্ধা মোছাঃ আজারা খাতুনের। মোঃ সুকুর মিয়া (৮১) পেশায় ছিলেন একজন কাবলিওয়ালা, বছর কয়েক আগে তাঁর স্ত্রী মারা যায়। আর মোছাঃ আজারা খাতুন (৮৩) এর স্বামী মারা যায় বেশ কিছুদিন হলো। শেষ বয়সে তাই সঙ্গী বলতে তেমন কেউই ছিলেন না দুজনের জীবনেই। এমন অবস্থায় স্থানীয় কিছু প্রতিবেশী মিলে তাঁদের বিবাহের সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করেন। গত সোমবার, ০৮ জুন, ২০২০, একটি মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হন স্থানীয় লোকজন।
এই নব দম্পতির সাথে কথা বলে জানা যায়, নিজেদের ইচ্ছা ও সম্মতিতে একে অপরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তাঁরা। শেষ সময়টায় এভাবেই একে অন্যের পাশে থেকে বৃদ্ধ বয়সেও নতুন সংসারে নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখে যাবেন তাঁরা।
ট্যাগ:

ময়মনসিংহে ৮০ পেরিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা

প্রকাশ: ০২:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভালবাসা কি বয়স মানে? স্থান-কাল-পাত্র বিবেচনা করেও তো ভালবাসা হয় না। সমাজের চোখে যা অসংগতিপূর্ণ, ভালবাসা তাকেই আশকারা দেয়। প্রেমের সম্মোহনী শক্তি সব প্রতিকূলতাকেই হার মানায়। তাই তো সহজেই ৮০-তেও প্রেমে পড়া যায়। নতুন করে জীবন শুরু করা যায়। আর এমনই এক প্রবীণ মিষ্টি ভালবাসার সাক্ষী রইল ময়মনসিংহের গৌরিপুর  উপজেলার শ্যামগঞ্জ ইউনিয়ন।
কখনও পরিবার থেকে ব্রাত্য হয়ে, তো কখনও চাপা হতাশা বুকে নিয়ে দুটো আলাদা পরিবারে একই পরিস্থিতিতে দিন কাটছিলো ৮১ বছর বয়সী বৃদ্ধ মোঃ সুকুর মিয়া এবং ৮৩ বছর বয়সী বৃদ্ধা মোছাঃ আজারা খাতুনের। মোঃ সুকুর মিয়া (৮১) পেশায় ছিলেন একজন কাবলিওয়ালা, বছর কয়েক আগে তাঁর স্ত্রী মারা যায়। আর মোছাঃ আজারা খাতুন (৮৩) এর স্বামী মারা যায় বেশ কিছুদিন হলো। শেষ বয়সে তাই সঙ্গী বলতে তেমন কেউই ছিলেন না দুজনের জীবনেই। এমন অবস্থায় স্থানীয় কিছু প্রতিবেশী মিলে তাঁদের বিবাহের সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করেন। গত সোমবার, ০৮ জুন, ২০২০, একটি মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হন স্থানীয় লোকজন।
এই নব দম্পতির সাথে কথা বলে জানা যায়, নিজেদের ইচ্ছা ও সম্মতিতে একে অপরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তাঁরা। শেষ সময়টায় এভাবেই একে অন্যের পাশে থেকে বৃদ্ধ বয়সেও নতুন সংসারে নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখে যাবেন তাঁরা।