১২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

“ভারতে বাঁধাহীন কাজ করছেন চীনা সাংবাদিকেরা”

চাপে পড়েই বিদেশি সাংবাদিকদের ভারতের মাটিতে পেশাগত দায়িত্ব পালন নিয়ে সুর নরম করল বিদেশ মন্ত্রক। শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন, ভারতের মাটিতে চিন-সহ বিদেশি সাংবাদিকরা বাধাহীনভাবেই পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। খবর সংগ্রহের ক্ষেত্রে তাঁদের কোনও রকম প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হবে না। পাশাপাশি চিনও ভারতীয় সাংবাদিকদের ওই দেশে অবস্থান করে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি।

২০২০ সালে লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চিনের সেনা জওয়ানদের মধ্যে সংঘর্ষের পরেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে দুই দেশের ঠাণ্ডা লড়াইয়ের বলি হচ্ছেন পেশাদার সাংবাদিকরা। গত এপ্রিলে  দুই মাস আগে বেজিংয়ে কর্মরত প্রসার ভারতী-সহ দুই সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিককে বেজিংয়ে ফেরত যেতে নিষেধ করেছিল চিনা দূতাবাস। এ বিষয়ে চিনের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যায় বলা হয়, ভিসা থাকা সত্বেও চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সিটিজিএনের সাংবাদিককে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল নয়াদিল্লি। ভারতে যদি চিনের সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তাহলে কেন ভারতের সাংবাদিকদের বেজিংয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হবে?

বেজিং ও নয়াদিল্লির মধ্যে এই ঠাণ্ডা লড়াইয়ের বলি হচ্ছেন সাংবাদিকরা। চাপের মুখে পড়ে এদিন অবশ্য বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র দাবি করেছেন, ভারতের মাটিতে চিন-সহ কোনও বিদেশি সাংবাদিককে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে না। বহাল তবিয়তেই তাঁরা খবর সংগ্রহ করতে পারছেন না। একই সঙ্গে চিনে ভারতীয় সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে গিয়ে হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

“ভারতে বাঁধাহীন কাজ করছেন চীনা সাংবাদিকেরা”

প্রকাশ: ০৫:২৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুন ২০২৩

চাপে পড়েই বিদেশি সাংবাদিকদের ভারতের মাটিতে পেশাগত দায়িত্ব পালন নিয়ে সুর নরম করল বিদেশ মন্ত্রক। শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানিয়েছেন, ভারতের মাটিতে চিন-সহ বিদেশি সাংবাদিকরা বাধাহীনভাবেই পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। খবর সংগ্রহের ক্ষেত্রে তাঁদের কোনও রকম প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হবে না। পাশাপাশি চিনও ভারতীয় সাংবাদিকদের ওই দেশে অবস্থান করে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অনুমতি দেবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি।

২০২০ সালে লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চিনের সেনা জওয়ানদের মধ্যে সংঘর্ষের পরেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে দুই দেশের ঠাণ্ডা লড়াইয়ের বলি হচ্ছেন পেশাদার সাংবাদিকরা। গত এপ্রিলে  দুই মাস আগে বেজিংয়ে কর্মরত প্রসার ভারতী-সহ দুই সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিককে বেজিংয়ে ফেরত যেতে নিষেধ করেছিল চিনা দূতাবাস। এ বিষয়ে চিনের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যায় বলা হয়, ভিসা থাকা সত্বেও চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সিটিজিএনের সাংবাদিককে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল নয়াদিল্লি। ভারতে যদি চিনের সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তাহলে কেন ভারতের সাংবাদিকদের বেজিংয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হবে?

বেজিং ও নয়াদিল্লির মধ্যে এই ঠাণ্ডা লড়াইয়ের বলি হচ্ছেন সাংবাদিকরা। চাপের মুখে পড়ে এদিন অবশ্য বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র দাবি করেছেন, ভারতের মাটিতে চিন-সহ কোনও বিদেশি সাংবাদিককে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে না। বহাল তবিয়তেই তাঁরা খবর সংগ্রহ করতে পারছেন না। একই সঙ্গে চিনে ভারতীয় সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে গিয়ে হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক