১১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভারতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন বাংলাদেশের সরকারী আমলারা

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর গুড গভর্ন্যান্স (এনসিজিজি) থেকে বাংলাদেশের ৪৫ জন সরকারি কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানটির ৬০ তম ব্যাচের জন্য  ফ্ল্যাগশিপ ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রোগ্রাম (সিবিএফ) কোর্স সম্পন্ন করেছেন। কোর্সটি নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য কার্যকর পাবলিক নীতি ও বাস্তবায়নের জন্য কর্মকর্তাদের পাবলিক নীতি, শাসন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষতার ক্ষেত্রে নতুন জ্ঞান দিয়ে থাকে। রোববার রা‌তে ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো এ তথ্য জানিয়েছে।

কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে এনসিজিজি মহাপরিচালক ভারত লাল কর্মকর্তাদের জনগণের প্রয়োজনের প্রতি সাড়া দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি একটি সময়বদ্ধ পদ্ধতিতে জনসাধারণের অভিযোগের প্রতিকারের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে উন্নয়নমূলক অংশীদারত্বের প্রশংসা করেন।

ভারত লাল বলেন, এই প্রোগ্রাম অংশগ্রহণকারীদের জন্য নতুন উন্নয়নমূলক দৃষ্টান্ত ও ক্ষমতায়নের একটি প্রচেষ্টা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ন্যূনতম সরকার, সর্বোচ্চ সুশাসন’-এর নীতি তুলে ধরে তিনি জনসেবকদের নাগরিক ও সরকারের মধ্যে ব্যবধান কমাতে এবং পুরনো ঔপনিবেশিক মানসিকতা দূর করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আধুনিক প্রযুক্তি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনতে একটি বড় সহায়ক। জনগণকে আরও ভালোভাবে সেবা দেওয়ার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) এই আধুনিক কৌশল শেখা এবং গ্রহণ করা উচিত।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের কর্মকর্তারা কোর্সের  প্রশংসা করেন। এ পর্যন্ত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকায় ভারতীয় মিশনের সহযোগিতায় এনসিজিজিতে বাংলাদেশের প্রায় ২০৫৫ জন কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। বিগত দু বছরে এই প্রশিক্ষিত কর্মকর্তাদের সংখ্যা প্রায় ৫০০ এর বেশি।

এনসিজিজি ২০১৪ সালে ভারত সরকারের কর্মী, জনঅভিযোগ ও পেনশন মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি শীর্ষ স্তরের প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এনসিজিজিকে ভারতের পাশাপাশি অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের সরকারি কর্মচারীদের জননীতি, শাসন, সংস্কার, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কাজ করার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এটি সরকারের থিঙ্ক ট্যাংক হিসেবেও কাজ করে। এখান থেকে এ পর্যন্ত ১৫টি দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ৬০ তম কোর্সটি পরিচালনা করেছেন কোর্স সমন্বয়কারী ড. এপি সিং, সহযোগী কোর্স সমন্বয়কারী ছিলেন ড. সঞ্জীব শর্মা। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

ভারতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন বাংলাদেশের সরকারী আমলারা

প্রকাশ: ০৯:৩৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ মে ২০২৩

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর গুড গভর্ন্যান্স (এনসিজিজি) থেকে বাংলাদেশের ৪৫ জন সরকারি কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠানটির ৬০ তম ব্যাচের জন্য  ফ্ল্যাগশিপ ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রোগ্রাম (সিবিএফ) কোর্স সম্পন্ন করেছেন। কোর্সটি নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য কার্যকর পাবলিক নীতি ও বাস্তবায়নের জন্য কর্মকর্তাদের পাবলিক নীতি, শাসন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষতার ক্ষেত্রে নতুন জ্ঞান দিয়ে থাকে। রোববার রা‌তে ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো এ তথ্য জানিয়েছে।

কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে এনসিজিজি মহাপরিচালক ভারত লাল কর্মকর্তাদের জনগণের প্রয়োজনের প্রতি সাড়া দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। তিনি একটি সময়বদ্ধ পদ্ধতিতে জনসাধারণের অভিযোগের প্রতিকারের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে উন্নয়নমূলক অংশীদারত্বের প্রশংসা করেন।

ভারত লাল বলেন, এই প্রোগ্রাম অংশগ্রহণকারীদের জন্য নতুন উন্নয়নমূলক দৃষ্টান্ত ও ক্ষমতায়নের একটি প্রচেষ্টা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ন্যূনতম সরকার, সর্বোচ্চ সুশাসন’-এর নীতি তুলে ধরে তিনি জনসেবকদের নাগরিক ও সরকারের মধ্যে ব্যবধান কমাতে এবং পুরনো ঔপনিবেশিক মানসিকতা দূর করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আধুনিক প্রযুক্তি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনতে একটি বড় সহায়ক। জনগণকে আরও ভালোভাবে সেবা দেওয়ার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) এই আধুনিক কৌশল শেখা এবং গ্রহণ করা উচিত।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের কর্মকর্তারা কোর্সের  প্রশংসা করেন। এ পর্যন্ত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকায় ভারতীয় মিশনের সহযোগিতায় এনসিজিজিতে বাংলাদেশের প্রায় ২০৫৫ জন কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। বিগত দু বছরে এই প্রশিক্ষিত কর্মকর্তাদের সংখ্যা প্রায় ৫০০ এর বেশি।

এনসিজিজি ২০১৪ সালে ভারত সরকারের কর্মী, জনঅভিযোগ ও পেনশন মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি শীর্ষ স্তরের প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এনসিজিজিকে ভারতের পাশাপাশি অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের সরকারি কর্মচারীদের জননীতি, শাসন, সংস্কার, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কাজ করার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এটি সরকারের থিঙ্ক ট্যাংক হিসেবেও কাজ করে। এখান থেকে এ পর্যন্ত ১৫টি দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ৬০ তম কোর্সটি পরিচালনা করেছেন কোর্স সমন্বয়কারী ড. এপি সিং, সহযোগী কোর্স সমন্বয়কারী ছিলেন ড. সঞ্জীব শর্মা। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক