১১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

‘গ্লোবাল সাউথ’-এ মোদীর আশার বাণী

গ্লোবাল সাউথ ভার্চুয়াল সামিটে ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কার বিষয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের মূল্যবৃদ্ধি, কোভিডের আর্থিক প্রভাব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

সংকট আসতে দেরি নেই। বরং সংকট এসেই গিয়েছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘একটি বিষয় স্পষ্ট। বিশ্ব এখন একটি সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই অস্থির পরিস্থিতি কতদিন চলবে, তা আন্দাজ করা কঠিন।’

তিনি ব্যাখা করেন, ‘গ্লোবাল সাউথ’ হিসাবে আমাদের জন্য এই আগামীর ভবিষ্যতটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোই কিন্তু গ্লোবাল সাউথ তৈরি করেনি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভূক্তভোগী তারাই।

ভারত গ্লোবাল সাউথ দেশগুলিকে একত্রিত করতে দুই দিনের এই সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। বিভিন্ন সংকট এবং ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের কারণে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার বিষয়ে আলোচনার জন্য একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্ম প্রদান করাই এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

উন্নয়নশীল দেশগুলি প্রতিনিধি হিসাবে ‘নমো’ বলেন, ভারত সবসময়েই তার ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর অন্য বন্ধু, সঙ্গীদের সঙ্গে উন্নয়নের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত চলতি বছর জি-২০ প্রেসিডেন্সি শুরু করছে। তাই গ্লোবাল সাউথের কন্ঠ হিসাবে সবার দাবি, বক্তব্যকে তুলে ধরাটাই স্বাভাবিক।

উল্লেখ্য, গ্লোবাল সাউথ হিসাবে এশিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশকে বোঝায়। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

‘গ্লোবাল সাউথ’-এ মোদীর আশার বাণী

প্রকাশ: ১২:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৩

গ্লোবাল সাউথ ভার্চুয়াল সামিটে ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কার বিষয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের মূল্যবৃদ্ধি, কোভিডের আর্থিক প্রভাব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

সংকট আসতে দেরি নেই। বরং সংকট এসেই গিয়েছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘একটি বিষয় স্পষ্ট। বিশ্ব এখন একটি সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই অস্থির পরিস্থিতি কতদিন চলবে, তা আন্দাজ করা কঠিন।’

তিনি ব্যাখা করেন, ‘গ্লোবাল সাউথ’ হিসাবে আমাদের জন্য এই আগামীর ভবিষ্যতটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোই কিন্তু গ্লোবাল সাউথ তৈরি করেনি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভূক্তভোগী তারাই।

ভারত গ্লোবাল সাউথ দেশগুলিকে একত্রিত করতে দুই দিনের এই সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। বিভিন্ন সংকট এবং ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের কারণে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার বিষয়ে আলোচনার জন্য একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্ম প্রদান করাই এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

উন্নয়নশীল দেশগুলি প্রতিনিধি হিসাবে ‘নমো’ বলেন, ভারত সবসময়েই তার ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর অন্য বন্ধু, সঙ্গীদের সঙ্গে উন্নয়নের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত চলতি বছর জি-২০ প্রেসিডেন্সি শুরু করছে। তাই গ্লোবাল সাউথের কন্ঠ হিসাবে সবার দাবি, বক্তব্যকে তুলে ধরাটাই স্বাভাবিক।

উল্লেখ্য, গ্লোবাল সাউথ হিসাবে এশিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশকে বোঝায়। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক