০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারত-মার্কিন মহড়া: চীনের আপত্তির নিন্দায় ভারত

এবার চীন সীমান্তের কাছে ভারত-মার্কিন যৌথ মহড়া প্রসঙ্গে কড়া ভাষায় চীনকে সমঝে দিলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র। এদিকে উত্তরাখণ্ডের আউলিতে ভারত-মার্কিন যৌথ মহড়া, অনুশীলন শুরু হয়েছিল। এনিয়ে কার্যত ঘুম উড়ে যায় চীনের।

চীনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র আগেই জানিয়েছিলেন, ১৯৯৩-১৯৯৬ সালে চিন ও ভারতের মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল সেই স্পিরিটকে নষ্ট করছে ভারত-মার্কিন যৌথ মহড়া। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছেই এই মহড়া হচ্ছে বলে চিনের তরফে দাবি করা হয়।

এবার এনিয়ে কার্যত চীনকে মুখের উপর জবাব দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আউলির এই এক্সারসাইজের সঙ্গে ১৯৯৩ ও ১৯৯৬ সালের চুক্তির কোনও ব্যাপার নেই। চীন একবার ভেবে দেখুক তারাই এই চুক্তি আগে ভেঙেছিল। ভারত যেখানে পছন্দ সেখানে এই ধরনের মহড়া করবে। আর এই ইস্যুতে থার্ড পার্টি ভেটো দেওয়ার কেউ নয়। অতীতের উদাহরণ টেনে কার্যত ঝামা ঘষে দিলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র। মুখের উপর যোগ্য জবাব।

এদিকে চীনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র আগেই দাবি করেছিলেন যুদ্ধ অভ্যাসের যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে তাতে চিন ও ভারতের মধ্যে তৃতীয় পক্ষকে নাক গলানোর সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে সেই ২০০৪ সাল থেকেই প্রতিবছর এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর।

এদিকে চীনের সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই যৌথ মহড়া নিয়ে নানা মন্তব্য করা হচ্ছিল। আসলে অভিজ্ঞ মহলের মতে ভারতের সেনাদের সেই মহড়ার ছবি ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। আর নতুন ভারতের সেই শক্তিশালী সেনাদের কৌশল দেখে চাপে পড়ে যায় চিন। এমনকী টাটার তৈরি জাগুয়ার আর ল্যান্ড রোভার গাড়ি নাকি চীন নিষিদ্ধ করছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কারণ ওই যৌথ মহড়াতেও এই ধরনের মিলিটারি ট্রাক দেখা গিয়েছিল। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

ভারত-মার্কিন মহড়া: চীনের আপত্তির নিন্দায় ভারত

প্রকাশ: ০২:৩৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

এবার চীন সীমান্তের কাছে ভারত-মার্কিন যৌথ মহড়া প্রসঙ্গে কড়া ভাষায় চীনকে সমঝে দিলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র। এদিকে উত্তরাখণ্ডের আউলিতে ভারত-মার্কিন যৌথ মহড়া, অনুশীলন শুরু হয়েছিল। এনিয়ে কার্যত ঘুম উড়ে যায় চীনের।

চীনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র আগেই জানিয়েছিলেন, ১৯৯৩-১৯৯৬ সালে চিন ও ভারতের মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল সেই স্পিরিটকে নষ্ট করছে ভারত-মার্কিন যৌথ মহড়া। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছেই এই মহড়া হচ্ছে বলে চিনের তরফে দাবি করা হয়।

এবার এনিয়ে কার্যত চীনকে মুখের উপর জবাব দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আউলির এই এক্সারসাইজের সঙ্গে ১৯৯৩ ও ১৯৯৬ সালের চুক্তির কোনও ব্যাপার নেই। চীন একবার ভেবে দেখুক তারাই এই চুক্তি আগে ভেঙেছিল। ভারত যেখানে পছন্দ সেখানে এই ধরনের মহড়া করবে। আর এই ইস্যুতে থার্ড পার্টি ভেটো দেওয়ার কেউ নয়। অতীতের উদাহরণ টেনে কার্যত ঝামা ঘষে দিলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র। মুখের উপর যোগ্য জবাব।

এদিকে চীনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র আগেই দাবি করেছিলেন যুদ্ধ অভ্যাসের যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে তাতে চিন ও ভারতের মধ্যে তৃতীয় পক্ষকে নাক গলানোর সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে সেই ২০০৪ সাল থেকেই প্রতিবছর এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর।

এদিকে চীনের সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই যৌথ মহড়া নিয়ে নানা মন্তব্য করা হচ্ছিল। আসলে অভিজ্ঞ মহলের মতে ভারতের সেনাদের সেই মহড়ার ছবি ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। আর নতুন ভারতের সেই শক্তিশালী সেনাদের কৌশল দেখে চাপে পড়ে যায় চিন। এমনকী টাটার তৈরি জাগুয়ার আর ল্যান্ড রোভার গাড়ি নাকি চীন নিষিদ্ধ করছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কারণ ওই যৌথ মহড়াতেও এই ধরনের মিলিটারি ট্রাক দেখা গিয়েছিল। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক