০১:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় ট্রানজিটের পরীক্ষামূলক পরিবহন শেষ

ট্রানজিট চুক্তির আওতায় কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা জাহাজ এমভি ট্রান্স সামুদেরা একমাস চারদিন পর চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে গেছে। বুধবার (১৯ অক্টোবর) সকালে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যায়।

ইঞ্জিন ত্রুটি এবং মেরামতজনিত সমস্যার কারণে জাহাজটি দীর্ঘ সময়েও কলকাতার উদ্দেশে যাত্রা করতে পারেনি। অন্যদিকে চট্টগ্রাম-কলকাতা রুটে আর কোনো জাহাজের সিডিউল না থাকায় ৮ মেট্রিক টন ওজনের চায়ের চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে ছিলো।

জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট ম্যাংগো লাইন-এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হাবিব বলেন, ‘মেরামতের কাজ শেষ করে আজ ট্রানজিটের ৮ মেট্রিক টন পণ্য সহ মোট ১৩০ টিইইউএস পণ্য নিয়ে এমভি ট্রান্স সামুদেরা চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়েছে।’

এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর ট্রানজিটের আওতায় ভারতের পণ্যের পরীক্ষামূলক পরিবহনের দ্বিতীয় চালানের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে একটি কন্টেইনার। ২৫ টন ওজনের টিএমটি স্টিল (লোহার রড) ভর্তি কন্টেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সিলেটের সুতারকান্দি স্থলবন্দর হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যে যায়। ফিরতিপথে ওই কন্টেইনারে করে চা পাতা নেওয়া হচ্ছে।

এই দুটি চালান আনা-নেওয়ার মাধ্যমে ৫টি ট্রানজিট রুটের পরীক্ষামূলক ব্যবহার কার্যক্রম শেষ হবে। ট্রানজিট রুট ব্যবহারে কোন প্রতিবন্ধকতা থাকলে সেগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করা হবে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ট্রানজিট পণ্য পরিবহন শুরু হবে। এর আগে ২০২০ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথম চালান আনা হয়।

২০১৮ সালের ২৫ অক্টোবর ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনের জন্য ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এবং মোংলা- এই দুটি সমুদ্রবন্দর ব্যবহার সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারত এবং বাংলাদেশ। এছাড়াও পরবর্তীতে দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরিত হয়। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:
জনপ্রিয়

ভারতীয় ট্রানজিটের পরীক্ষামূলক পরিবহন শেষ

প্রকাশ: ০৫:২৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

ট্রানজিট চুক্তির আওতায় কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা জাহাজ এমভি ট্রান্স সামুদেরা একমাস চারদিন পর চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে গেছে। বুধবার (১৯ অক্টোবর) সকালে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যায়।

ইঞ্জিন ত্রুটি এবং মেরামতজনিত সমস্যার কারণে জাহাজটি দীর্ঘ সময়েও কলকাতার উদ্দেশে যাত্রা করতে পারেনি। অন্যদিকে চট্টগ্রাম-কলকাতা রুটে আর কোনো জাহাজের সিডিউল না থাকায় ৮ মেট্রিক টন ওজনের চায়ের চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে ছিলো।

জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট ম্যাংগো লাইন-এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হাবিব বলেন, ‘মেরামতের কাজ শেষ করে আজ ট্রানজিটের ৮ মেট্রিক টন পণ্য সহ মোট ১৩০ টিইইউএস পণ্য নিয়ে এমভি ট্রান্স সামুদেরা চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়েছে।’

এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর ট্রানজিটের আওতায় ভারতের পণ্যের পরীক্ষামূলক পরিবহনের দ্বিতীয় চালানের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে একটি কন্টেইনার। ২৫ টন ওজনের টিএমটি স্টিল (লোহার রড) ভর্তি কন্টেইনারটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সিলেটের সুতারকান্দি স্থলবন্দর হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যে যায়। ফিরতিপথে ওই কন্টেইনারে করে চা পাতা নেওয়া হচ্ছে।

এই দুটি চালান আনা-নেওয়ার মাধ্যমে ৫টি ট্রানজিট রুটের পরীক্ষামূলক ব্যবহার কার্যক্রম শেষ হবে। ট্রানজিট রুট ব্যবহারে কোন প্রতিবন্ধকতা থাকলে সেগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করা হবে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ট্রানজিট পণ্য পরিবহন শুরু হবে। এর আগে ২০২০ সালের জুলাই মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথম চালান আনা হয়।

২০১৮ সালের ২৫ অক্টোবর ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনের জন্য ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এবং মোংলা- এই দুটি সমুদ্রবন্দর ব্যবহার সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারত এবং বাংলাদেশ। এছাড়াও পরবর্তীতে দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরিত হয়। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক