০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ আয়োজন ভারতের

সন্ত্রাসবাদের মামলার তদন্তে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার জন্য কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ কনফারেন্সের আয়োজন করেছে ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি, এনআইএ। ১৯ এপ্রিল, মঙ্গলবার, ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যোগ দেন ভারত, মালদ্বীপ, মরিশাস, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের প্যানেলিস্টগণ।

বৈঠকের পর ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েটের এক বিবৃতি অনুযায়ী জানা যায়, “সম্মেলনটি মূলত কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের রোডম্যাপে ২০২২-২৩ এর জন্য সহযোগিতা ও কর্মসূচি নির্ধারণের এক প্রস্তুতি পর্ব। গত ০৯-১০ মার্চ, মালদ্বীপে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সদস্য ও পর্যবেক্ষক দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত ৫ম বৈঠকে রোডম্যাপটি গ্রহণ করা হয়েছিলো।”

জানা গিয়েছে, গতকালের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিগণ স্বীয় দেশে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা নিয়ে আলোচনা করেন। এর মাঝে রয়েছে, সন্ত্রাসবাদের মামলার বিচার, বিদেশী যোদ্ধাদের মোকাবেলা করার কৌশল এবং ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার রোধে অভিজ্ঞতা শেয়ার।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েটের বিবৃতি অনুসারে, প্যানেলিস্টগণ সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদ সম্পর্কিত মামলাগুলোর কার্যকর তদন্ত এবং বিচারের জন্য কলম্বো নিরাপত্তা কনক্লেভের সদস্য এবং পর্যবেক্ষক দেশগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা এবং সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

এর আগে গত মার্চ মাসে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার ও স্থিতিশীল করতে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো কলম্বো নিরাপত্তা কনক্লেভ এর ৫ম সম্মেলনের। সভাটির আয়োজক ছিলো নীল জলরাশির হাজারের বেশি ছোট-বড় দ্বীপ সমৃদ্ধ এশিয়ার আকর্ষণী পর্যটন গন্তব্য মালদ্বীপ। বৈঠকে ভারতের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।

উল্লেখ্য, কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের (সিএসসি) মূল লক্ষ্যগুলো যথাক্রমে, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্ট্রিমলাইন করা এবং আন্তঃকার্যক্ষমতা উন্নত করা। এর আগে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের অধীনে সহযোগিতার মূল চারটি ক্ষেত্র নির্ধারণ করেছিলো সদস্য দেশগুলো। সেগুলো যথাক্রমেঃ সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও মৌলবাদ নিয়ন্ত্রণ, পাচার এবং সংগঠিত অপরাধ দমন এবং সাইবার নিরাপত্তা। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ আয়োজন ভারতের

প্রকাশ: ০৯:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০২২

সন্ত্রাসবাদের মামলার তদন্তে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার জন্য কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ কনফারেন্সের আয়োজন করেছে ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি, এনআইএ। ১৯ এপ্রিল, মঙ্গলবার, ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যোগ দেন ভারত, মালদ্বীপ, মরিশাস, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের প্যানেলিস্টগণ।

বৈঠকের পর ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েটের এক বিবৃতি অনুযায়ী জানা যায়, “সম্মেলনটি মূলত কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের রোডম্যাপে ২০২২-২৩ এর জন্য সহযোগিতা ও কর্মসূচি নির্ধারণের এক প্রস্তুতি পর্ব। গত ০৯-১০ মার্চ, মালদ্বীপে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সদস্য ও পর্যবেক্ষক দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত ৫ম বৈঠকে রোডম্যাপটি গ্রহণ করা হয়েছিলো।”

জানা গিয়েছে, গতকালের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিগণ স্বীয় দেশে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা নিয়ে আলোচনা করেন। এর মাঝে রয়েছে, সন্ত্রাসবাদের মামলার বিচার, বিদেশী যোদ্ধাদের মোকাবেলা করার কৌশল এবং ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার রোধে অভিজ্ঞতা শেয়ার।

ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েটের বিবৃতি অনুসারে, প্যানেলিস্টগণ সন্ত্রাসবাদ ও মৌলবাদ সম্পর্কিত মামলাগুলোর কার্যকর তদন্ত এবং বিচারের জন্য কলম্বো নিরাপত্তা কনক্লেভের সদস্য এবং পর্যবেক্ষক দেশগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা এবং সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

এর আগে গত মার্চ মাসে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার ও স্থিতিশীল করতে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো কলম্বো নিরাপত্তা কনক্লেভ এর ৫ম সম্মেলনের। সভাটির আয়োজক ছিলো নীল জলরাশির হাজারের বেশি ছোট-বড় দ্বীপ সমৃদ্ধ এশিয়ার আকর্ষণী পর্যটন গন্তব্য মালদ্বীপ। বৈঠকে ভারতের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।

উল্লেখ্য, কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের (সিএসসি) মূল লক্ষ্যগুলো যথাক্রমে, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্ট্রিমলাইন করা এবং আন্তঃকার্যক্ষমতা উন্নত করা। এর আগে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের অধীনে সহযোগিতার মূল চারটি ক্ষেত্র নির্ধারণ করেছিলো সদস্য দেশগুলো। সেগুলো যথাক্রমেঃ সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও মৌলবাদ নিয়ন্ত্রণ, পাচার এবং সংগঠিত অপরাধ দমন এবং সাইবার নিরাপত্তা। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক