০৯:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেপালে ভারতীয় অর্থায়নে স্কুল, হাসপাতাল ও সেচ প্রকল্পের কাজ

প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে অব্যহত সম্পর্কোন্নয়ন প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সাম্প্রতিককালে ভারত স্বীয় সীমান্তবর্তী প্রায় সকল দেশের আভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সড়ক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নির্মাণে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। এরই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে গত ০৭ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, নেপালে ভারতীয় অর্থায়নে একটি স্কুল, একটি স্বাস্থ্য পোস্ট বিল্ডিং এবং একটি সেচ প্রকল্প নির্মাণের জন্য তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের আনুমানিক খরচ হবে প্রায় ৭১ মিলিয়ন নেপালি রুপী।

এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে নেপালস্থ ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, “ভারত-নেপাল উন্নয়ন সহযোগিতার অধীনে নির্মিতব্য কমিউনিটি উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের জন্য ভারতের দূতাবাস এবং নেপাল সরকারের ফেডারেল অ্যাফেয়ার্স ও সাধারণ প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

জানা গিয়েছে, স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলোর প্রথমটি করা হয়েছে, জনবিকাশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য নেপালের দারচুলা জেলার দুহুন গ্রামীণ পৌরসভার সাথে। দ্বিতীয়টি করা হয়েছে, দারচুলার নওগাদ গ্রামীণ পৌরসভার সাথে, কানের কোট স্বাস্থ্য পোস্ট ভবন নির্মাণের জন্য। এবং সর্বশেষ, তৃতীয় চুক্তিটি করা হয়েছে, নেপালের ধাদিং জেলার গলছি গ্রামীণ পৌরসভার সাথে, মহেশফাত সেচ প্রকল্প নির্মাণের জন্য।

এর মাঝে জনবিকাশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য খরচ হবে প্রায় ৩৪ মিলিয়ন নেপালি রুপি, কানের কোট স্বাস্থ্য পোস্ট ভবন নির্মাণের জন্য খরচা হবে প্রায় সাড়ে ২৫ মিলিয়ন নেপালি রুপি এবং মহেশফাত সেচ প্রকল্প নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১২ মিলিয়ন নেপালি রুপি।

এসব প্রকল্প নেপালের স্থানীয় জনসাধারণের উন্নত শিক্ষার সুবিধা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা প্রদান করবে এবং স্থানীয় কৃষকদের সেচযুক্ত কৃষি ও ফসল উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছে ভারতের হাইকমিশন।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সাল থেকে ভারত নেপালে প্রায় ৫২৪ টি উচ্চাভিলাষী প্রকল্প (হাই ইম্প্যাক্ট কমিউনিটি ডেভেলপমেণ্ট স্কিম – এইচআইসিডিপি) গ্রহণ করেছে এবং দেশটির ০৭ প্রদেশ জুড়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানীয় জল, সংযোগ, স্যানিটেশন এবং অন্যান্য পাবলিক ইউটিলিটি তৈরির ক্ষেত্রে ৪৬৭ টি প্রকল্প সম্পন্ন করেছে।

এসব প্রকল্পের মধ্যে নেপালের সপ্তম প্রদেশে দারচুলা জেলায় ৬ টি প্রকল্প সহ মোট ৩২ টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে এবং তৃতীয় প্রদেশে ১০২ টি প্রকল্প নেয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৩ টি রয়েছে ধাদিং জেলায়।

প্রসঙ্গত, ঐতিহ্যগতভাবেই ঘনিষ্ঠ ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে ভারত ও নেপালের মধ্যে। পূর্বোক্ত প্রকল্পসমূহের ফলে দু দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছে বোদ্ধামহল। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

ট্যাগ:

নেপালে ভারতীয় অর্থায়নে স্কুল, হাসপাতাল ও সেচ প্রকল্পের কাজ

প্রকাশ: ০৬:১৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০২২

প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে অব্যহত সম্পর্কোন্নয়ন প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সাম্প্রতিককালে ভারত স্বীয় সীমান্তবর্তী প্রায় সকল দেশের আভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সড়ক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নির্মাণে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। এরই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে গত ০৭ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, নেপালে ভারতীয় অর্থায়নে একটি স্কুল, একটি স্বাস্থ্য পোস্ট বিল্ডিং এবং একটি সেচ প্রকল্প নির্মাণের জন্য তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের আনুমানিক খরচ হবে প্রায় ৭১ মিলিয়ন নেপালি রুপী।

এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে নেপালস্থ ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, “ভারত-নেপাল উন্নয়ন সহযোগিতার অধীনে নির্মিতব্য কমিউনিটি উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের জন্য ভারতের দূতাবাস এবং নেপাল সরকারের ফেডারেল অ্যাফেয়ার্স ও সাধারণ প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।”

জানা গিয়েছে, স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলোর প্রথমটি করা হয়েছে, জনবিকাশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য নেপালের দারচুলা জেলার দুহুন গ্রামীণ পৌরসভার সাথে। দ্বিতীয়টি করা হয়েছে, দারচুলার নওগাদ গ্রামীণ পৌরসভার সাথে, কানের কোট স্বাস্থ্য পোস্ট ভবন নির্মাণের জন্য। এবং সর্বশেষ, তৃতীয় চুক্তিটি করা হয়েছে, নেপালের ধাদিং জেলার গলছি গ্রামীণ পৌরসভার সাথে, মহেশফাত সেচ প্রকল্প নির্মাণের জন্য।

এর মাঝে জনবিকাশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য খরচ হবে প্রায় ৩৪ মিলিয়ন নেপালি রুপি, কানের কোট স্বাস্থ্য পোস্ট ভবন নির্মাণের জন্য খরচা হবে প্রায় সাড়ে ২৫ মিলিয়ন নেপালি রুপি এবং মহেশফাত সেচ প্রকল্প নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১২ মিলিয়ন নেপালি রুপি।

এসব প্রকল্প নেপালের স্থানীয় জনসাধারণের উন্নত শিক্ষার সুবিধা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা প্রদান করবে এবং স্থানীয় কৃষকদের সেচযুক্ত কৃষি ও ফসল উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছে ভারতের হাইকমিশন।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সাল থেকে ভারত নেপালে প্রায় ৫২৪ টি উচ্চাভিলাষী প্রকল্প (হাই ইম্প্যাক্ট কমিউনিটি ডেভেলপমেণ্ট স্কিম – এইচআইসিডিপি) গ্রহণ করেছে এবং দেশটির ০৭ প্রদেশ জুড়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানীয় জল, সংযোগ, স্যানিটেশন এবং অন্যান্য পাবলিক ইউটিলিটি তৈরির ক্ষেত্রে ৪৬৭ টি প্রকল্প সম্পন্ন করেছে।

এসব প্রকল্পের মধ্যে নেপালের সপ্তম প্রদেশে দারচুলা জেলায় ৬ টি প্রকল্প সহ মোট ৩২ টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে এবং তৃতীয় প্রদেশে ১০২ টি প্রকল্প নেয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৩ টি রয়েছে ধাদিং জেলায়।

প্রসঙ্গত, ঐতিহ্যগতভাবেই ঘনিষ্ঠ ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে ভারত ও নেপালের মধ্যে। পূর্বোক্ত প্রকল্পসমূহের ফলে দু দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছে বোদ্ধামহল। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক