বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
অসহায়দের দোড়গোড়ায় ত্রাণ নিয়ে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ মমেক হাসপাতাল এর কার্যক্রম সম্পর্কে সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভা জেলা প্রশাসন কর্তৃক করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্রও ভাসমান জনগনের মাঝে উপহার বিতরণ ত্রিশালে সঞ্জীবনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আর্টডক কর্তৃক দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের একটি মানুষও অনাহারে থাকবে না – ত্রাণ বিতরণে মেয়র টিটু গফরগাঁও পৌরসভায় ভিজিএফ(নগদ অর্থ)বিতরণ দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য ধন্যবাদ জানালেন ইউএনও ঈদ উপহার নিয়ে ফুলপুরের ১০৫ অসহায় দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ালো কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা! ২ টাকার খাবার পক্ষ থেকে ইফতার ও খিচুড়ি বিতরণ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে পথিকের ইফতার বিতরণ করেন ময়মনসিংহ ছাত্রলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম রোকন

তরমুজ দাম নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৮১০০ টাকা জরিমানা

তরমুজ দাম নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৮১০০ টাকা জরিমানা

এনামুল হক ছোটন : গতকিছুদিন যাবত ময়মনসিংহের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার পর ময়মনসিংহে তরমুজের দাম নিয়ন্ত্রণে তরমুজ বিক্রেতারদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন। ময়মনসিংহের একশ্রেণির স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর কারণে দিন দিন ব্যাপক হারে সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে ইচ্ছা মতো দাম বাড়িয়ে যাচ্ছিলেন তরমুজ বিক্রেতারা। রোজার মাসে তীব্র তাপদাহে মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়িরা প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি ধরে তরমুজ বিক্রি করতে শুরু করে। আর হঠাৎ তরমুজের এমন দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নগরীর বিভিন্ন মহলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক এনামুল হক এর নির্দেশনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ নগরীর নতুন বাজার, স্টেশন ও চরপাড়া বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তরমুজের অতিরিক্ত দাম রাখার কারণে ৯ টি মামলায় ৮১০০ টাকা ব্যবসায়ীদেরকে জরিমানা করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার ( ২৭ এপ্রিল) ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঈদুল ইসলাম ও শাহাদাৎ হোসেন। এছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালতে এর সময় জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহ পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা হক জানান, নগরীর সাধারণ মানুষের অভিযোগ ছিল ব্যবসায়ীরা পিস হিসেবে তরমুজ কিনে ওজন ও বেশি কেজি দরে বিক্রয় করতাছে। আমরা সরজমিনে পরিদর্শন করে ও কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখেছি তরমুজ বিক্রয়কারী বেশির ভাগ ব্যবসায়ীরা মণ হিসেবেই কিনে আনেন। কিন্তু কেজি প্রতি ২০ টাকাও বেশী লাভ করেছেন কোন কোন বিক্রেতারা। ফলে বেশী দামে বিক্রিয়কারীদেরকে কৃষি বিপণন আইন ২০১৮ অনুযায়ী ৯ টি মামলায় ৮১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। আইন অনুসারে ফল বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কেজিতে সর্বোচ্চ ১০ টাকা লাভ করার বিধান রয়েছে,তবে তরমুজের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ৩- ৫ টাকার বেশি লাভ করতে পারবেন না এমন বিশেষ নির্দেশনাও রয়েছে। বিশেষ করে রমজান শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ আগেও তরমুজ ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। রমজান শুরুর সাথেই দাম বেড়ে ৩০-৩৫টাকায় চলে যায়। এভাবে বাড়তে বাড়তে গত কয়েক দিনে কেজি ৬০ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে এবং তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© ২০১৯ দৈনিক নবযুগ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Designed and developed by Smk Ishtiak