ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ সহযোগিতা ফোরামে কেন যাচ্ছেন মোদী?

চলতি মাসেই অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও পাপুয়া নিউগিনি সফর করবেন মোদি। এরপর যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে। আগামী ১৯ মে থেকে তার এই সফর শুরু হবে। শেষ হবে ২৪ জুন। ৩৭ দিনের এই সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদির অন্তত চারবার বৈঠক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চলতি মাসের ১৯ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত জাপানের ঐতিহাসিক হিরোশিমা শহরে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর পাপুয়া নিউগিনিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন। তারপর অস্ট্রেলিয়ায় কোয়াড নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন। এসব সম্মেলনের প্রত্যেকটাতেই অংশ নেবেন মোদি। একই সময়ে সম্মেলনগুলোতে থাকবেন বাইডেনও।

পর্যায়ক্রমে তিন দেশের সফর শেষে মোদি যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে। এরই মধ্যে সফরের দিন-তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী জুন মাসের শেষ দিকে (২১ জুন থেকে ২৪ জুন) চারদিনব্যাপী এই সফর অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে তাকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। করবেন একান্ত বৈঠক।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন মোদি। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হলেও, সেগুলো রাষ্ট্রীয় সফর ছিল না। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গত ৯ বছরের মধ্যে এটাই হবে যুক্তরাষ্ট্রে তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। এর আগে ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফরে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।

রাষ্ট্রীয় সফরকে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সর্বোচ্চ অভিব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং সফরগুলো প্রায়ই রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় পরিপূর্ণ থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে এই আনুষ্ঠানিকতাগুলোর মধ্যে ‘ফ্লাইট লাইন’ অনুষ্ঠান (যেখানে সফররত রাষ্ট্রপ্রধানকে বিমানবন্দরে অবতরণের পরই টারমাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়), হোয়াইট হাউসের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান, হোয়াইট হাউসের নৈশভোজ, কূটনৈতিক উপহার বিনিময়, ব্লেয়ার হাউসে সময় কাটানোর আমন্ত্রণ (ব্লেয়ার হাউস হলো পেনসিলভেনিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অতিথি ভবন) ও ‘ফ্লাগ স্ট্রিট লাইনিং’।

মোদি যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন দেশটির সরকারের আমন্ত্রণে। বুধবার (১০ মে) প্রায় একই সময়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সফরের বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। সফরকালে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ফার্স্টলেডি জিল বাইডেনের আমন্ত্রণে ২২ জুন একটি রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে একে অপরকে সহযোগিতা করছে। এই সফরটি দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের ওপর জোর দেবে।’ আরও বলা হয়, প্রযুক্তি, বাণিজ্য, শিল্প, শিক্ষা, গবেষণা, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করাসহ পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বীপক্ষীয় সহযোগিতার সুযোগ পর্যালোচনা করবেন দুই নেতা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মোদি ও বাইডেন জি-২০সহ বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ফোরামে ভারত-মার্কিন সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা করবেন। এছাড়া তারা একটি মুক্ত, উন্মুক্ত, ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে নিজেদের মতবিনিময় করবেন। একই সঙ্গে কোয়াড কার্যক্রম আরও সংহত ও বিস্তৃত করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করবেন।’

মোদির রাষ্ট্রীয় সফরের ব্যাপারে হোয়াইট হাউস প্রেসসচিব কারিন জ্যা পিয়েরে এক বিবৃতিতে বলেন, ২১ জুন এক রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে আসবেন মোদি। এ সময় নৈশভোজেও অংশ নেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আসন্ন সফর যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। হোয়াইট হাউস প্রেস সচিব আরও বলছেন, ‘সফরকালে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে একটি মুক্ত, উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করে তোলার ব্যাপারে দুই দেশের যে অঙ্গীকার তা আরও শক্তিশালী করবে। সেই সঙ্গে  প্রতিরক্ষা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি শক্তি ও মহাকাশসহ আমাদের কৌশলগত প্রযুক্তি অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে আমাদের যৌথ অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করবে।’

সময় ও পরিস্থিতির বিবেচনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে একটি কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে ভারত। যেখানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা বা প্রভাবশালী ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়া, কোনো পক্ষ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার।

তবে ভারত-চীন সীমান্তের পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী আচরণ নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনকে কাছাকাছি নিয়ে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মোদিকে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণের বিষয়টি সেই সাক্ষ্যই দিচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর বাইডেন এখন পর্যন্ত দুইজন রাষ্ট্রপ্রধানকে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একজন গত বছরের শেষ দিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আর দ্বিতীয়জন চলতি বছরের এপ্রিলে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে। এরপর তৃতীয় কোনো নেতা হিসেবে মোদিকে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানালেন তিনি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

Tag :

Notice: Trying to access array offset on value of type int in /home/nabajugc/public_html/wp-content/themes/NewsFlash-Pro/template-parts/common/single_two.php on line 182

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ সহযোগিতা ফোরামে কেন যাচ্ছেন মোদী?

Update Time : ০৮:২৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ মে ২০২৩

চলতি মাসেই অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও পাপুয়া নিউগিনি সফর করবেন মোদি। এরপর যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে। আগামী ১৯ মে থেকে তার এই সফর শুরু হবে। শেষ হবে ২৪ জুন। ৩৭ দিনের এই সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মোদির অন্তত চারবার বৈঠক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চলতি মাসের ১৯ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত জাপানের ঐতিহাসিক হিরোশিমা শহরে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর পাপুয়া নিউগিনিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন। তারপর অস্ট্রেলিয়ায় কোয়াড নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন। এসব সম্মেলনের প্রত্যেকটাতেই অংশ নেবেন মোদি। একই সময়ে সম্মেলনগুলোতে থাকবেন বাইডেনও।

পর্যায়ক্রমে তিন দেশের সফর শেষে মোদি যাবেন যুক্তরাষ্ট্রে। এরই মধ্যে সফরের দিন-তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী জুন মাসের শেষ দিকে (২১ জুন থেকে ২৪ জুন) চারদিনব্যাপী এই সফর অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে তাকে হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। করবেন একান্ত বৈঠক।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন মোদি। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হলেও, সেগুলো রাষ্ট্রীয় সফর ছিল না। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গত ৯ বছরের মধ্যে এটাই হবে যুক্তরাষ্ট্রে তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। এর আগে ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফরে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।

রাষ্ট্রীয় সফরকে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সর্বোচ্চ অভিব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং সফরগুলো প্রায়ই রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় পরিপূর্ণ থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে এই আনুষ্ঠানিকতাগুলোর মধ্যে ‘ফ্লাইট লাইন’ অনুষ্ঠান (যেখানে সফররত রাষ্ট্রপ্রধানকে বিমানবন্দরে অবতরণের পরই টারমাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়), হোয়াইট হাউসের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান, হোয়াইট হাউসের নৈশভোজ, কূটনৈতিক উপহার বিনিময়, ব্লেয়ার হাউসে সময় কাটানোর আমন্ত্রণ (ব্লেয়ার হাউস হলো পেনসিলভেনিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অতিথি ভবন) ও ‘ফ্লাগ স্ট্রিট লাইনিং’।

মোদি যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন দেশটির সরকারের আমন্ত্রণে। বুধবার (১০ মে) প্রায় একই সময়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে সফরের বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। সফরকালে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ফার্স্টলেডি জিল বাইডেনের আমন্ত্রণে ২২ জুন একটি রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে একে অপরকে সহযোগিতা করছে। এই সফরটি দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের ওপর জোর দেবে।’ আরও বলা হয়, প্রযুক্তি, বাণিজ্য, শিল্প, শিক্ষা, গবেষণা, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করাসহ পারস্পরিক স্বার্থের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বীপক্ষীয় সহযোগিতার সুযোগ পর্যালোচনা করবেন দুই নেতা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মোদি ও বাইডেন জি-২০সহ বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ফোরামে ভারত-মার্কিন সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা করবেন। এছাড়া তারা একটি মুক্ত, উন্মুক্ত, ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে নিজেদের মতবিনিময় করবেন। একই সঙ্গে কোয়াড কার্যক্রম আরও সংহত ও বিস্তৃত করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করবেন।’

মোদির রাষ্ট্রীয় সফরের ব্যাপারে হোয়াইট হাউস প্রেসসচিব কারিন জ্যা পিয়েরে এক বিবৃতিতে বলেন, ২১ জুন এক রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে আসবেন মোদি। এ সময় নৈশভোজেও অংশ নেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আসন্ন সফর যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। হোয়াইট হাউস প্রেস সচিব আরও বলছেন, ‘সফরকালে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে একটি মুক্ত, উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করে তোলার ব্যাপারে দুই দেশের যে অঙ্গীকার তা আরও শক্তিশালী করবে। সেই সঙ্গে  প্রতিরক্ষা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি শক্তি ও মহাকাশসহ আমাদের কৌশলগত প্রযুক্তি অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে আমাদের যৌথ অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করবে।’

সময় ও পরিস্থিতির বিবেচনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে একটি কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে ভারত। যেখানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা বা প্রভাবশালী ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়া, কোনো পক্ষ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার।

তবে ভারত-চীন সীমান্তের পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী আচরণ নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনকে কাছাকাছি নিয়ে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মোদিকে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণের বিষয়টি সেই সাক্ষ্যই দিচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর বাইডেন এখন পর্যন্ত দুইজন রাষ্ট্রপ্রধানকে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। একজন গত বছরের শেষ দিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আর দ্বিতীয়জন চলতি বছরের এপ্রিলে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে। এরপর তৃতীয় কোনো নেতা হিসেবে মোদিকে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানালেন তিনি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক