০৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাবিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করলো বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ

ঐতিহাসিক ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবস। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে সকাল ৭.৫০ মিনিটে পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. প্রভাষ কুমার কর্মকারের নেতৃত্বে একটি আনন্দ র‌্যালি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবন থেকে যাত্রা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে যায় এবং সেখানে তাঁরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেসময় ড. প্রভাষ কুমার কর্মকার তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “ইংরেজ শাসন থেকে পাকিস্তানি শাসন আমল পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রেই অত্যাচারের শিকার শোষিত-বঞ্চিত বাঙালির দুঃখ পরিত্রাণে ও ভাগ্যের চাকা পরিবর্তনে কোনো মহামানবের দেখা মেলেনি। সুতরাং মানুষের পরিতৃপ্তি লাভের কোনো পথ খুঁজে পাওয়া যায়নি, মুক্তিও মেলেনি। তাই চিন্তাগ্রস্ত বাঙালির সাথে সাথে প্রকৃতিও যেন সৃষ্টিকর্তার দ্বারস্থ হয়ে কায়মনোবাক্যে একজন মহামানব তথা পরিত্রাণকারীর জন্য প্রার্থনা শুরু করে। অবশেষে সকলের ঐকান্তিক চাওয়াতেই এ ধরায় বাঙালির মুক্তিদাতার আগমনী বার্তা বেজে উঠলো- জন্ম নিলেন স্বাধীন সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশের মুক্তির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শোষিতের হৃদয়ের ব্যথা তাঁকে ব্যাথিত করলো, তিনি নিজেকে সঁপে দিলেন শোষিত-বঞ্চিতের জন্য, ধীরে ধীরে ভাগ্য নিয়ন্তা হয়ে আমাদের পথ দেখাতে এগিয়ে এলেন। তিনি তাঁর প্রজ্ঞা-মেধা, দূরদর্শিতা, রণকৌশল গুণে আমাদেরকে আলোর পথ দেখালেন- লাল সবুজের জাতীয় পতাকা আর অমর জাতীয় সংগীত উপহার দিলেন।”

ড. কর্মকার বঙ্গবন্ধুর চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে তরুণ প্রজন্মের সাথে সকল প্রজন্মের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমভ্রাতৃত্ববোধ বন্ধনের বাতায়ন উন্মুক্ত করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সকলকে একাত্মতা প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করেন। বাঙালির জন্য বঙ্গবন্ধুর জাগরণ মন্ত্র ‘জয় বাংলা’র শক্তিতে এদেশ এগিয়ে যাবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ড. মো. মোকাররম হোসেন মন্ডলের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপদেষ্টা প্রফেসর ড. রকিব আহমদ, উপদেষ্টা প্রফেসর ড. তানজিমা ইয়াসমিন, সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পাদকগণ, সদস্যবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকলে উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যা ৬.৫০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বেদীতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। এই আয়োজনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম। সেখানে সংগঠনের সকলে উপস্থিত ছিলেন। মহামানব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিনকে স্মরণীয় করতে শহীদ মিনারের বেদীতে মোমবাতির আলোর ঝলকানিতে বাংলাদেশকে মানচিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়।

ট্যাগ:

রাবিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করলো বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ

প্রকাশ: ০৫:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ মার্চ ২০২২

ঐতিহাসিক ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশুদিবস। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে সকাল ৭.৫০ মিনিটে পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. প্রভাষ কুমার কর্মকারের নেতৃত্বে একটি আনন্দ র‌্যালি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবন থেকে যাত্রা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে যায় এবং সেখানে তাঁরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেসময় ড. প্রভাষ কুমার কর্মকার তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “ইংরেজ শাসন থেকে পাকিস্তানি শাসন আমল পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রেই অত্যাচারের শিকার শোষিত-বঞ্চিত বাঙালির দুঃখ পরিত্রাণে ও ভাগ্যের চাকা পরিবর্তনে কোনো মহামানবের দেখা মেলেনি। সুতরাং মানুষের পরিতৃপ্তি লাভের কোনো পথ খুঁজে পাওয়া যায়নি, মুক্তিও মেলেনি। তাই চিন্তাগ্রস্ত বাঙালির সাথে সাথে প্রকৃতিও যেন সৃষ্টিকর্তার দ্বারস্থ হয়ে কায়মনোবাক্যে একজন মহামানব তথা পরিত্রাণকারীর জন্য প্রার্থনা শুরু করে। অবশেষে সকলের ঐকান্তিক চাওয়াতেই এ ধরায় বাঙালির মুক্তিদাতার আগমনী বার্তা বেজে উঠলো- জন্ম নিলেন স্বাধীন সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশের মুক্তির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শোষিতের হৃদয়ের ব্যথা তাঁকে ব্যাথিত করলো, তিনি নিজেকে সঁপে দিলেন শোষিত-বঞ্চিতের জন্য, ধীরে ধীরে ভাগ্য নিয়ন্তা হয়ে আমাদের পথ দেখাতে এগিয়ে এলেন। তিনি তাঁর প্রজ্ঞা-মেধা, দূরদর্শিতা, রণকৌশল গুণে আমাদেরকে আলোর পথ দেখালেন- লাল সবুজের জাতীয় পতাকা আর অমর জাতীয় সংগীত উপহার দিলেন।”

ড. কর্মকার বঙ্গবন্ধুর চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে তরুণ প্রজন্মের সাথে সকল প্রজন্মের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমভ্রাতৃত্ববোধ বন্ধনের বাতায়ন উন্মুক্ত করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সকলকে একাত্মতা প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করেন। বাঙালির জন্য বঙ্গবন্ধুর জাগরণ মন্ত্র ‘জয় বাংলা’র শক্তিতে এদেশ এগিয়ে যাবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ড. মো. মোকাররম হোসেন মন্ডলের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপদেষ্টা প্রফেসর ড. রকিব আহমদ, উপদেষ্টা প্রফেসর ড. তানজিমা ইয়াসমিন, সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পাদকগণ, সদস্যবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকলে উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যা ৬.৫০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বেদীতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। এই আয়োজনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম। সেখানে সংগঠনের সকলে উপস্থিত ছিলেন। মহামানব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিনকে স্মরণীয় করতে শহীদ মিনারের বেদীতে মোমবাতির আলোর ঝলকানিতে বাংলাদেশকে মানচিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়।